India UK FTA: ভারত-ব্রিটেন চুক্তিতে সত্যিই কি সস্তা হবে গাড়ির দাম ? কী কী বদল আসবে অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে ?
India UK Agreement: আপনি যদি ভেবে থাকেন যে এই ভারত-ব্রিটেন চুক্তির ফলে ব্রিটেন থেকে আসা গাড়িগুলি অনেক সস্তা হয়ে যাবে তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন।

ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে শীঘ্রই একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে। এর আওতায় ভারত ব্রিটিশ গাড়ির উপর আমদানি শুল্ক ১০০ শতাংশ থেকে কমিয়ে করবে ১০ শতাংশ। এমনটাই জানা যাচ্ছে। এই খবর অত্যন্ত আকর্ষণীয় ভারতের গাড়িপ্রেমীদের কাছে। তবে সমস্ত গাড়ির ক্ষেত্রে এই আমদানি কমবে না, এমনকী এই শুল্ক কমার সুবিধে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না।
আসলে এই চুক্তির আওতায় কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক গাড়িকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে যেগুলি নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও কোটা ব্যবস্থার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। বৈদ্যুতিন গাড়ি ও পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিনের গাড়ির জন্য আলাদা কোটা নির্ধারণ করা হবে।
সমস্ত ব্রিটিশ গাড়িই কি সস্তা হবে ?
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে এই ভারত-ব্রিটেন চুক্তির ফলে ব্রিটেন থেকে আসা গাড়িগুলি অনেক সস্তা হয়ে যাবে তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। এই বদলের প্রভাব পড়বে এক বা দুই বছর পর থেকে। কারণ নিয়ম বাস্তুবায়ন করতে এবং গাড়িগুলি ভারতে আনতে অনেকটাই সময় লেগে যাবে।
কোন গাড়িগুলির দাম কমবে এই চুক্তির কারণে ?
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, রেঞ্জ রোভার এবং রেঞ্জ রোভার স্পোর্টসের মত গাড়িগুলি ইতিমধ্যেই ভারতে একত্রিত করা হয়েছে, তাই এই চুক্তির ফলে সেই গাড়িগুলির দামের উপরে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। যদিও কিছু সিবিইউ মডেল অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে বিদেশ থেকে আমদানি করা ল্যান্ড রোভার গাড়ির দাম কমানো যেতে পারে। তবে এটি তখনই সম্ভব হবে যখন সেগুলি ভারতে বিক্রির জন্য অনুমোদিত হবে আর ভারতের বাজারেও পাওয়া যাবে। এতেও প্রায় ২ বছর সময় লাগতে পারে।
এই চুক্তির ফলে ভারতে ব্রিটেনে তৈরি কিছু নতুন গাড়ি যেমন মিনি গাড়ি বাজারে আসতে পারে খুব শীঘ্রই। ধীরে ধীরে আমরা ভারতে আরও ব্রিটিশ ব্র্যান্ডের গাড়ি দেখতে পাব। আপনি যদি আশা করেন যে ডিফেন্ডার বা রেঞ্জ রোভারের মত বিলাসবহুল গাড়ি কম দামে পাওয়া যাবে তাহলে তা এখনই সম্ভব নয়। শুধুমাত্র কয়েকটি নির্বাচিত গাড়ি এবং ব্র্যান্ড এই চুক্তির সুবিধে পাবে। তাও আগামী সময়ে ধীরে ধীরে। তবে গাড়ি ছাড়াও ভারত ব্রিটেনের এই চুক্তির মধ্যে বেশ কিছু জিনিসের দাম কমে যাবে। চকলেট থেকে স্কচ এই সমস্ত পণ্যের দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।






















