Maruti Suzuki Brezza Turbo Petrol: এসেছে নতুন ইঞ্জিনের অপশন, পারফরম্যান্সে কতটা বদলাল মারুতির নতুন ব্রেজা?
Maruti Suzuki New Car: নতুন ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। এটি মারুতি সুজুকি-র প্রথম এই ধরনের সেটআপ। ফলে হাইওয়েতে হাই স্পিডে গাড়ি চালানোর সময় ভাল ফুয়েল এফিশিয়েন্সি পাওয়াও সম্ভব।

কলকাতা: মারুতি সুজুকির নতুন ব্রেজা-এর সব থেকে বড় আকর্ষণ হল এই গাড়ির ১.০ লিটার টার্বো-পেট্রল ইঞ্জিন। এতদিন ১.৫ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড ইঞ্জিনের উপর নির্ভর করলেও এবার সেই ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন টার্বো ইঞ্জিনও। ১১০ হর্স পাওয়ার শক্তি এবং ১৭০ নিউটন মিটার টর্ক পাওয়া যায় এই এই ইঞ্জিন থেকে। আর এর ফলে এই ইঞ্জিন ১.৫ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড ইঞ্জিনের থেকেও বেশি শক্তিশালী। এটি Fronx-এর পর দ্বিতীয় মারুতি মডেল, যেখানে টার্বো-পেট্রল ইঞ্জিন এসেছে।
আরও পড়ুন: নীচের তিনটে তলা ডুবেছে কাদায়, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ত্রিশূলী বাজারে দাঁড়িয়ে রয়েছে শুধু একটিই বাড়ি
নতুন ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। এটি মারুতি সুজুকি-র প্রথম ৬-স্পিড ম্যানুয়াল সেটআপ। ফলে হাইওয়েতে হাই স্পিডে গাড়ি চালানোর সময় ইঞ্জিনের RPM কম রাখা এবং ভাল ফুয়েল এফিশিয়েন্সি পাওয়াও সম্ভব। ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর এর রিফাইনমেন্টও যথেষ্ট ভাল। চলার সময়ও টার্বো ল্যাগ খুব বেশি অনুভূত হয় না এবং পাওয়ার ডেলিভারি বেশ মসৃণ ও লিনিয়ার।
৬-স্পিড গিয়ারবক্সের থ্রো কিছুটা লম্বা হলেও শিফট যথেষ্ট নির্ভুল। ক্লাচও হালকা। কম RPM-এই পর্যাপ্ত টর্ক পাওয়া যায়, ফলে শহরের ট্রাফিকে বারবার গিয়ার ডাউনশিফট করার প্রয়োজন হয় না। তৃতীয় গিয়ারেই বেশিরভাগ সময় শহরের রাস্তা সামলানো সম্ভব। হাইওয়েতে ষষ্ঠ গিয়ার আরামদায়ক ক্রুজিংয়ের পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়েও সাহায্য করবে। বাস্তবে প্রতি লিটার পেট্রলে ১২ থেকে ১৪ কিলোমিটার যেতে পারে এই গাড়ি। যদিও সংস্থা দাবি করে এক লিটার পেট্রোলে এই গাড়ি চলতে পারে ২০.৪৭ কিলোমিটার।
স্টিয়ারিং হালকা হওয়ায় শহরের রাস্তায় এই গাড়ি চালানো সহজ। ভাল গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং কমপ্যাক্ট আকারও ব্রেজা-কে আরও বেশি সুবিধাজনক করে তুলেছে। সাসপেনশনের সেটআপও কম গতিতে আরামদায়ক। নতুন ৩৬০-ডিগ্রি ক্যামেরার মান উন্নত হয়েছে এবং পার্কিংয়ে যথেষ্ট সাহায্য করে। ADAS-এর কিছু ফিচারও কার্যকর।
বাইরে থেকে এই গাড়ির ডিজাইনে তেমন কোনও বড় পরিবর্তন না থাকলেও ব্রেজা-র পরিচিত ডিজাইনই রাখা হয়েছে। ভেন্টিলেটেড সিট গরমে আরাম দেয়। তবে স্পেয়ার হুইলের বদলে এবার রয়েছে পাংচার রিপেয়ার কিট। অটোমেটিকের বিকল্প না থাকাটা টার্বো ব্রেজা-এর সীমাবদ্ধতা। তবে যারা ড্রাইভিং পারফরম্যান্স চান, তাঁদের জন্য নতুন টার্বো পেট্রোল ব্রেজা নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় বিকল্প।






















