হ্যাঁ, কিছু রাজ্যে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণে মদ বহন করতে পারেন। তবে, এটি রাজ্যের আবগারি নীতির উপর নির্ভরশীল।
Indian Railway Rules : মদ নিয়ে ট্রেনে উঠলে হতে পারে জেল ? জেনে নিন ভারতীয় রেলের আসল নিয়ম
Alcohol Rules in Indian Railways : এই বিষয়ে ইন্ডিয়ান রেলওয়ের (Railway Passenger Rules) রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জেনে নিন, ট্রেন যাত্রার সময় মদ নিয়ে উঠতে পারেন আপনি।

- রেলে নির্দিষ্ট পরিমাণে মদ বহন করা যায়, রাজ্য অনুযায়ী নিয়ম আলাদা।
- খোলা মদের বোতল বা মদ্যপান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, শাস্তি হতে পারে।
- গন্তব্য রাজ্য মদ্যপান নিষিদ্ধ হলে, মদ বহন করাও বেআইনি।
- ডিউটিতে থাকাকালীন রেল কর্মীদের মদ খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কঠোর শাস্তি।
Alcohol Rules in Indian Railways : আপনার মনেও ভারতীয় রেলে (Indian Railway) যাত্রা করার সময় উঠতে পারে এই প্রশ্ন। যেখানে কোন-কোন জিনিস নিয়ে ওঠা যেতে পারে তার লিস্ট চাইতেই পারেন আপনি। এই বিষয়ে ইন্ডিয়ান রেলওয়ের (Railway Passenger Rules) রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জেনে নিন, ট্রেন যাত্রার সময় মদ নিয়ে উঠতে পারেন আপনি।
কোন জিনিসগুলি নিষিদ্ধ, রয়েছে স্পষ্ট নির্দেশিকা
ভারতীয় রেলের ওপর ভরসা করে প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ যাতায়াত করেন। কম খরচে ভাল যাত্রার জন্যই ভারতীয় রেলের ওপর নির্ভর করে দেশবাসী। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রেলওয়ের পক্ষ থেকে একাধিক কড়া নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। ট্রেনে ভ্রমণের সময় আপনি কী কী জিনিস সাথে রাখতে পারবেন আর কোনগুলি নিষিদ্ধ, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। বিশেষ করে ট্রেনে মদ বা অ্যালকোহল বহন করার বিষয়ে রেলের অত্যন্ত কড়া নিয়ম রয়েছে, যা প্রত্যেক যাত্রীর জেনে রাখা জরুরি।
ট্রেনে মদ রাখা কি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ?
রেলওয়ের আইন অনুযায়ী, ট্রেনে মদ বহন করার ওপর কোনো সামগ্রিক বা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে, এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আপনি কোন রাজ্যে ভ্রমণ করছেন এবং সেই রাজ্যের আবগারি নীতি কেমন।
সাধারণ রাজ্যে নিয়ম: যে সমস্ত রাজ্যে মদ্যপান নিষিদ্ধ নয়, সেখানে একজন যাত্রী নির্দিষ্ট পরিমাণে মদ সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে কোনও অবস্থাতেই ট্রেনের ভেতরে বা রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে মদ্যপান করা যাবে না।
ড্রাই স্টেট বা মদ্যপানে নিষিদ্ধ রাজ্য: গুজরাট, বিহার, নাগাল্যান্ড এবং লাক্ষাদ্বীপের মতো রাজ্যগুলিতে মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই এই রাজ্যগামী বা এই রাজ্যগুলির ওপর দিয়ে যাওয়া কোনও ট্রেনে মদ বহন করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই নিয়মের খেলাপ করলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আবগারি আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
সঙ্গে সর্বোচ্চ কতটা মদ রাখা যাবে ?
রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী, একজন যাত্রী ট্রেনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পর্যন্ত অ্যালকোহল সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে এর জন্য একটি বড় শর্ত রয়েছে— মদের বোতলটি অবশ্যই সম্পূর্ণ সিলড বা বন্ধ থাকতে হবে। কোনও খোলা বোতল বা অর্ধেক খালি বোতল নিয়ে ট্রেনে যাতায়াত করা যাবে না। এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে রেল পুলিশ আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে।
মনে রাখবেন: ট্রেনে আপনার কাছে মদ থাকলেই আপনি সেটি ট্রেনের ভেতরে খুলে পান করতে পারবেন না। মদ্যপান করা ও মদ সঙ্গে নিয়ে যাত্রা করার মধ্যে বড় আইনি ফারাক রয়েছে।
ট্রেনে মদ্যপান করলে কী শাস্তি হতে পারে ?
ট্রেনে বা রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে মদ্যপান করা বা মদ্যপ অবস্থায় থাকা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এর ফলে অন্য যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিঘ্নিত হয়। কোনো যাত্রী যদি ট্রেনে মদ্যপান করে অশান্তি সৃষ্টি করেন বা মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়েন, তবে রেলওয়ে পুলিশ (RPF/GRP) তাকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করতে পারে।
রেল অধিনিয়ম (Railway Act) অনুযায়ী এই অপরাধের জন্য
এই ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে। অথবা ৫০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে অনেক সময় জেল এবং জরিমানা দুই একসঙ্গে হতে পারে।
রেল কর্মীদের জন্যও কড়া নিয়ম
রেলের নিয়ম শুধু সাধারণ যাত্রীদের জন্যই নয়, রেল কর্মচারীদের জন্যও সমান কঠোর। ডিউটি চলাকালীন কোনো রেলকর্মী মদ্যপান বা অন্য কোনও নেশাদ্রব্য সেবন করতে পারবেন না। কোনও কর্মী মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এমনকি চাকরিও চলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন : কনফার্ম টিকিট থাকলেও হাতছাড়া হতে পারে সিট; রেলের এই নিয়মটি জানেন ?
Frequently Asked Questions
ভারতীয় রেলে কি মদ বহন করা যায়?
কত লিটার পর্যন্ত মদ ট্রেনে নিয়ে যাওয়া যায়?
একজন যাত্রী ট্রেনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পর্যন্ত অ্যালকোহল সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে বোতলটি অবশ্যই সম্পূর্ণ সীল করা থাকতে হবে।
যেসব রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ, সেখানে কি মদ বহন করা যাবে?
না, গুজরাট, বিহার, নাগাল্যান্ড এবং লাক্ষাদ্বীপের মতো রাজ্যগুলিতে মদ বহন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ট্রেনে মদ পান করলে কি শাস্তি হতে পারে?
ট্রেনে বা প্ল্যাটফর্মে মদ্যপান করলে ৬ মাস পর্যন্ত জেল বা ৫০০-১০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে, অথবা উভয়ই।






















