Lado Lakshmi Yojana: প্রতি মাসে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২১০০ টাকা ! কোন রাজ্যে নতুন এই প্রকল্প ?
Deen Dayal Lado Lakshmi Yojana: যোগ্য মহিলাদের মাসিক ২১০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে এই নতুন স্কিমে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে এই যোজনা।

হরিয়ানা: ২৮ অগাস্ট বৃহস্পতিবার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে দীনদয়াল লাডো লক্ষ্মী যোজনা বাস্তবায়নের ঘোষণা করেছেন। এই নতুন যোজনার আওতায় হরিয়ানার যোগ্য মহিলাদের মাসিক ২১০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। হরিয়ানায় ভারতীয় জনতা পার্টির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলির মধ্যে একটি ছিল ‘লাডো লক্ষ্মী যোজনা’র (Lado Lakshmi Yojana) বাস্তবায়ন। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে সাইনি এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। সাইনি বলেন যে মন্ত্রিসভা দীনদয়াল লাডো লক্ষ্মী যোজনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর কথায়, এই প্রকল্পটি আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীর দিন থেকে কার্যকর হবে রাজ্যে।
হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী সাইনির মতে, এই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে সমস্ত যোগ্য মহিলা সুবিধেভোগীদের ২১০০ টাকা করে মাসিক আর্থিক ভাতা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে ২৫ সেপ্টেম্বর (Lado Lakshmi Yojana) থেকে ২৩ বছর বা তাঁর বেশি বয়সী মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধে পাবেন। তিনি জানান মহিলা বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত উভয়েই এই প্রকল্পের অধীনে মাসে মাসে ২১০০ টাকা করে ভাতা পাবেন।
একটি সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী সাইনি বলেন, ‘আজ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের সরকার নারীদের (Lado Lakshmi Yojana) প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রিসভা সামাজিক নিরাপত্তা ও মহিলাদের সম্মানের জন্য চালু করছে দীনদয়াল লাডো লক্ষ্মী যোজনা। এই যোজনাটি ২৫ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে চালু করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সমস্ত যোগ্য মহিলাদের মাসিক ২১০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে’।
সাইনির মতে এই যোজনার প্রথম পর্যায়ে সেই সমস্ত পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে যাদের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার কম। তাঁর অনুমান প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১৯-২০ লক্ষ মহিলা এই যোজনার সুবিধে পাবেন। আগামী দিনে এই প্রকল্প পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারিত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এই প্রকল্পের সুবিধে পেতে হলে কোনও মহিলাকে বা বিবাহিত হলে সেই মহিলার স্বামীকে হরিয়ানার বাসিন্দা হতে হবে বিগত ১৫ বছর ধরে। সাইনির মতে পরিবারে মহিলা সুবিধেভোগীর সংখ্যার জন্য কোনও সীমা নির্দিষ্ট করা হয়নি। যেদিন একজন সুবিধেভোগীর বয়স ৪৫ বছর পেরোবে সেদিন থেকেই সরকারের বিধবা ও দুস্থ নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্য হয়ে উঠবেন, আলাদা করে আবেদনের দরকার হবে না। আর যেদিন একজন বিবাহিত মহিলার বয়স ৬০ বছর হবে এই লাডো লক্ষ্মী যোজনার সুবিধেভোগী হয়ে থাকলে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বৃদ্ধাশ্রম সম্মান ভাতা পেনশন প্রকল্পের জন্য যোগ্য হয়ে উঠবেন।






















