Donald Trump : ফের 'ভারতকে ধাক্কা ট্রাম্পের' ! ৩৮ হাজার কোটি টাকার রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বলছে রিপোর্ট
Trump Tariff : স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারতের ৩৮ হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য।

Trump Tariff : মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকে ট্রাম্পের ট্য়ারিফ সিদ্ধান্ত চিন্তা বাড়িয়েছে বিশ্বের। ভোটের আগে 'ভারত বন্ধু' হিসাবে পরিচিত ট্রাম্প এখন ভারতের চিন্তার কারণ। শনিবার নতুন করে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারতের ৩৮ হাজার কোটি টাকার রফতানি বাণিজ্য।
কী বলা হচ্ছে রিপোর্টে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত ভারতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (GTRI) এর রিপোর্ট অনুসারে, এই সিদ্ধান্ত ভারতের ৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৮,০০০ কোটি টাকা) মূল্যের ধাতু রফতানিকে হুমকির মুখে ফেলছে।
ব্যাপারটা কী ?
৩০ মে, ২০২৫ তারিখে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। এই নতুন নিয়ম ৪ জুন, ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। আমেরিকার "জাতীয় নিরাপত্তা"র কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ভারতের উপর এর প্রভাব কী হবে ?
২০২৫ অর্থবর্ষে ভারত মোট ৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম-সম্পর্কিত পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫৮৭.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের লোহা ও ইস্পাত, ৩.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের লোহা বা ইস্পাত পণ্য এবং ৮৬০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের অ্যালুমিনিয়াম ও সংশ্লিষ্ট পণ্য।
আমেরিকায় ভারতের পণ্যের দাম বেশি হয়ে যাবে
এখন যখন আমেরিকায় এগুলোর উপর ৫০ শতাংশ কর আরোপ করা হবে, তখন সেখানে ভারতীয় পণ্যের দাম আরও বেশি হয়ে যাবে। এর ফলে ভারতীয় কোম্পানিগুলির প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা হ্রাস পাবে। ফলে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ভারত এখন কী করছে ?
ভারত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) কে এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করেছে। মনে করা হচ্ছে, সরকার এবার এই বিষয়ে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
জিটিআরআই কী বলছে ?
জিটিআরআই বলেছে, এই সিদ্ধান্ত কেবল ব্যবসারই ক্ষতি করবে না, পরিবেশেরও ক্ষতি করবে। ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম তৈরিতে বিপুল পরিমাণে কার্বন নির্গত হচ্ছে। বিশ্ব যখন সবুজ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে, তখন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে পরিবেশের জন্য কোনও উদ্বেগ নেই বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কী ?
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত আমেরিকার 'অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ' বা "আমেরিকা ফার্স্ট" নীতির একটি অংশ। এটি আমেরিকার দেশীয় শিল্পগুলিকে উপকৃত করতে পারে, তবে এটি বিশ্ব বাণিজ্য ও জলবায়ু লক্ষ্যগুলির জন্য একটি বিপদ সংকেত।
সেরা শিরোনাম






















