Global Oil Crisis: আগুন হবে তেলের দাম? ২০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে? বিপদ ঠেকানো যাবে কি, বাড়ছে উদ্বেগ
Oil Crisis: তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানাল তারা।

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে তেলের দাম ২০০ ডলারে পৌঁছতে পারে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যেই হুঁশিয়ারি ইরানের। তারা জানিয়েছে, আমেরিকার জাহাজকে এবার নিশানা করতে শুরু করবে তেহরান। এর ফলে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম বেড়ে হতে পারে ২০০ ডলার। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের জন্যই এই পরিস্থিতি, তারাই আঞ্চলিক নিরাপত্তার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। (Oil Crisis)
ইরানের সেনা সদর দফতরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফকরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ২০০ ডলার হওয়ার অপেক্ষা করুন। আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর তেলের দাম নির্ভর করে, আপনারা যার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছেন।" চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ব্যারেল প্রতি অশোধিত তেলের দাম ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছে যায়, যা গত চার বছরে সর্বোচ্চ। পরে তা আবার ৯০ ডলারে নেমে যায় যদিও। তবে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে ইরানে হামলা করার আগে তেলের দাম অনেক কম ছিল। (Global Oil Crisis)
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে এই মুহূর্তে জ্বালানি সঙ্কটে গোটা বিশ্ব। সেই আবহে ইতিমধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। নিজেদের সঞ্চিত তেলের কিছু অংশ অন্য দেশগুলিকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। ভূরাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে।
১৬ মার্চের মধ্যে নিজেদের সঞ্চিত তেলের কিছুটা অংশ ছাড়বে জাপান। টোকিওয় সাংবাদিক বৈঠক করে দেশের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি জানান, বেসরকারি ক্ষেত্রের সঞ্চয় থেকে ১৫ দিনের মতো এবং সরকারি সঞ্চয় থেকে এক মাস চলার মতো তেল অন্যদের দেওয়া হবে, যাতে সরবরাহ নির্বিঘ্ন থাকে।
আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালনোর পর থেকেই টালমাটাল অবস্থা। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ, যাতে জোর ধাক্কা খেয়েছে তেল সরবরাহও। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলিতে পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। দামেও হাত পুড়ছে সকলের। সেই আবহে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিল জাপান।
JUST IN: Japan's PM Takaichi says Japan to start releasing part of its oil reserves as early as March 16th. pic.twitter.com/027ED3J9Cq
— SwanDesk (@SwanDesk) March 11, 2026
প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিভিন্ন দেশের সরকার তেল মজুত করে, যাতে আচমকা বিপর্যয় নেমে এলেও অর্থনীতিতে থমকে না যায়। জাপান মূলত অন্য দেশ থেকে তেল আমদানিই করে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকেই সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে তারা, যেখানে এই মুহূর্তে যুদ্ধ চলছে।
G7 দেশগুলির মধ্যে জাপানই প্রথম নিজেদের সঞ্চয় থেকে তেল ছাড়তে রাজি হল। চলতি সপ্তাহের গোড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) তাবড় অর্থনীতিকে এব্যাপারে হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানায়। G7 দেশগুলির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকও হয় সেই নিয়ে। এর পরই নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায় জাপান। IEA জানিয়েছে, নিজেদের সঞ্চয় থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়বে তারা।
সেরা শিরোনাম






















