LPG Price Cut : পুজোর আগেই বড় স্বস্তি গ্যাসের দামে, এক ধাক্কায় বিরাট কমল দাম
LPG Price Change : পুজোর আগে গেরস্থদের জন্য গ্যাসের দামে কোনও সুখবর নেই। ১৪.২ কেজির গৃহস্থালী এলপিজি সিলিন্ডারগুলির দাম ৮৭৯ টাকাই থাকছে।

কলকাতা : পুজোর আগেই বড় স্বস্তি রান্নার গ্যাসের দামে। মাসের শুরুতে আবারও অনেকটা কমল এলপিজি-র দাম। উৎসবের মরসুমে আগাম উপহার পেলেন খাবার-দাবারের দোকান, কলকাতার রেস্তোরাঁ এবং কেটারিং ব্যবসায়ীরা। আজ থেকে কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তিতে তারা। দেশের বিভিন্ন শহরে সিলিন্ডারের দাম ৫১.৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে,এবারও ১৯ কেজি বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমানো হয়েছে।
কলকাতায় বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ সেপ্টেম্বর থেকে কমে ১,৬৮৪ টাকা হল। যা নিঃসন্দেহে ব্যবসায়ীদের দৈনিক খরচ কমাবে। তবে পুজোর আগে গেরস্থদের জন্য গ্যাসের দামে কোনও সুখবর নেই। ১৪.২ কেজির গৃহস্থালী এলপিজি সিলিন্ডারগুলির দাম ৮৭৯ টাকাই থাকছে। ৮ এপ্রিল থেকেই এই দাম একই জায়গা দাঁড়িয়ে আছে, যদিও একাধিক বার বদলেছে কমার্শিয়াল গ্যাসের দাম।
দাম কমার পর,এখন দিল্লিতে একটি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১৫৮০ টাকায় নেমে এসেছে। এর আগে অগাস্ট মাসেও এর দাম কমেছিল। তবে, ১৪ কেজি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। পরিবর্তনের পর, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে। LPG র দাম বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম এবং বিশ্ব বাজারের কারণের উপর নির্ধারিত হয়। প্রতি মাসেই তাই দাম সংশোধন হয়।.
কলকাতায় পুজোর মাসে এমনিতেই বিক্রিবাটা একটু বেশি হয়। তাই সিলিন্ডারও বেশি লাগে। আর ঠিক তখনই এক ধাক্কায় গ্যাসের দাম অনেকটাই কমে যাওয়ায়, সুবিধে হবে ছোট থেকে বড় সব ব্যবসায়ীদেরই। IOCL ওয়েবসাইট অনুসারে,.
- ১ সেপ্টেম্বর হ্রাসের পর, নয়াদিল্লিতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১৬৩১.৫০ টাকা থেকে কমে ১৫৮০ টাকা হয়েছে।
- কলকাতায় ১৭৩৪.৫০ টাকার সিলিন্ডারের দাম কমে এখন ১৬৮৪ টাকায় পাওয়া যাবে।
- মুম্বইতে আগের আগের দাম ছিল ১৫৮২.৫০ টাকা । এখন তা কমে হল ১৫৩১.৫০ টাকা।
- চেন্নাইতে সিলিন্ডারের দাম ১৭৮৯ টাকা থেকে কমে ১৭৩৮ টাকা হয়েছে।
অনেকেরই মনে হতে পারে ঠিক কী কী কারণে গ্যাসের দাম বাড়ে-কমে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, ডলারের নিরিখে টাকার মূল্যের ওঠানামা, শুল্ক, প্যাকেজিংয়ের খরচ, বিপণন খরচে পরিবর্তন, ডিলারের কমিশন, পোর্ট চার্জের মতো বিষয়গুলি প্রভাব বিস্তার করে।






















