রেপো রেট সহ নীতি নির্ধারণে বৈঠকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, যুদ্ধ ও তেলের মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে আশার আলো দেখছে শেয়ার বাজার?
Indian Stock Market: একদিকে যেমন ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতের বাজার, তেমনই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মানিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক চলছে।

নয়া দিল্লি: গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্রমাগত পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজার (Indian Share Market)। ১ এপ্রিল কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর পরও হুড়মুড়িয়ে পড়ে গিয়েছিল ভারতের বাজার। হিসাব বলছে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত টাকা ৬ সপ্তাহ পড়েছিল ভারতের বাজার (Indian Stock Marekt)। যদিও বাজারের ট্রেন্ড বলছিল ভারতের বাজার একটা কনসলিডেশন ফেজে প্রবেশ করেছে। যে কারণে আগামী কিছুদিন নির্দিষ্ট একটা জায়গার মধ্যেই থাকতে পারে ভারতের বাজার। মনে করা হয় বাজার টানা ওঠার পর বা টানা পড়ার পর এমন একটা ফেজ তৈরি হয়। তারপর বাজার আবার উঠতে বা পড়তে শুরু করে।
একদিকে যেমন ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতের বাজার, তেমনই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মানিটারি পলিসি কমিটির (Monetary Policy Committee, Reserve Bank Of India) বৈঠক চলছে। এ ছাড়াও ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক বক্তব্যের পর আশা করা হচ্ছে এই সপ্তাহ থেকে ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করবে ভারতের বাজার।
গত সপ্তাহে একাধিক কারণে পড়তে থাকে ভারতের বাজার। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধ, তেমনি রয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি। আর এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারীই বিনিয়োগ বিক্রি করে দিয়ে আমেরিকার বাজারে বিনিয়োগ শুরু করে।
তবে, এই মুহূর্তে বাজার ঘুরে দাঁড়ালেও বাজার আবার পড়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে। কারণ, ভারতের বাজারে একদিকে যেমন কাজ করছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের প্রভাব তেমনই বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ভারতের বাজার থেকে ক্রমাগত টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি ও ডলারের তুলনায় টাকার দাম কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও।
এপ্রিলের ৭ তারিখ নিফটি ২৩,০০০ পয়েন্টের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন যদি দাম বাড়তে পারে তাহলে ২৩,০০০ থেকে ২৩,৫০০ পয়েন্টের মধ্যে নিফটি ৫০-তে একটা বাধা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও আগামীতে কী হবে, তার অনেকটাই নির্ভর করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মানিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকের ফলাফলের উপর।
এ ছাড়াও আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের মতো ভূ রাজনৈতিক ঘটনাবলির কারণেও বাজারে একটা প্রভাব পড়ে। সেই কারণে ওদিকে যদি পরিস্থিতির অবনতি ঘটে তাহলে তাহলে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে ভারতের বাজারে। এ ছাড়াও দাম বাড়তে পারে অপরিশোধিত তেলেরও।
তথ্যসুত্র: IANS
























