Organic Farming: জৈবিক কৃষি নতুন করে গড়ছে কৃষকদের সমৃদ্ধি, জোয়ার আনছে গ্রামীণ উন্নয়নের- জানাচ্ছে পতঞ্জলি
Patanjali Organic Farming: পতঞ্জলি জৈব কৃষি পদ্ধতির ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পিছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তাদের কিষাণ সমৃদ্ধি কার্যক্রমকে তুলে ধরেছে।

Farming in India: পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ দাবি করেছে যে তারা ভারতের গ্রামীণ ভূখণ্ড জুড়ে একটি রূপান্তরমূলক কৃষি ব্যবস্থার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সংস্থা দাবি করেছে তাদের এই উদ্ভাবনী কৃষি মডেলের মাধ্যমে কৃষক সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধি বাড়ছে এবং গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য এটি একটি যথাযথ ব্লু-প্রিন্ট হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি নতুন করে তৈরি হতে চলেছে। পতঞ্জলির মতে এই নতুন কৃষিপদ্ধতি শুধু চাষাবাদের জন্যই নয়, বরং কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি সামগ্রিক কাঠামো তৈরি করবে।
দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে নজর
পতঞ্জলি জৈব কৃষি পদ্ধতির ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পিছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তাদের কিষাণ সমৃদ্ধি কার্যক্রমকে তুলে ধরেছে। সংস্থার মতে, এই উদ্যোগটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে ডিজাইন করা হয়েছে। পতঞ্জলি জোর দিয়ে বলেন, 'এই বহুমুখী মডেল কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নকেই যে ত্বরান্বিত করে তাই নয়, বরং সামাজিক ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করে।
সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, তাদের লক্ষ্য ও নজর বিশেষত মধ্যপ্রদেশের মৌগঞ্জের মত অঞ্চলে অনুৎপাদনশীল ও অনুর্বর জমি পুনরুজ্জীবিত করার উপর আবদ্ধ রয়েছে। পতঞ্জলি জানিয়েছে, তারা কৌশলগতভাবে উন্নত প্রযুক্তি ও পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহার করে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফসলের বৈচিত্র্যের উপরে জোর দেওয়া, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা, স্থানীয় কৃষি উৎপাদনকে সমর্থন করার জন্য প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট স্থাপন করা।
গুরুত্বপূর্ণভাবে কৃষকরা বিনামূল্যে জৈব সার, উচ্চমানের বীজ, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দিয়ে উপকৃত হচ্ছেন বলেই দাবি করেছে পতঞ্জলি। সংস্থার মূল লক্ষ্য রয়েছে কৃষকদের জন্য ফসলের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের মান উন্নত করা। এই প্রত্যক্ষ সহায়তার লক্ষ্য হল কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ এবং গুণমান বৃদ্ধি করা, কৃষকদের উপর আর্থিক বোঝা কমানো।
মধ্যস্থতাকারীদের অপসারণ, ভাল মুনাফা নিশ্চিত করা
পতঞ্জলির অন্যতম একটি অর্জন হল কৃষকদের থেকে সরাসরি ফসল সংগ্রহ করা, এর ফলে সমস্ত মধ্যস্থতাকারীদের সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আর এই পদ্ধতিতে উৎপাদকরা যাতে ফসলের বিনিময়ে ভাল দাম পায় তা নিশ্চিত করা গিয়েছে। আর এই কাজ ধীরে ধীরে গ্রামীণ অর্থনীতিরও উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। সরাসরি বিক্রয় চ্যানেলগুলিকে ঠিক রাখার পাশাপাশি পতঞ্জলি কৃষকদের মধ্যে ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানোর কাজও করছে।
স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরি করছে পতঞ্জলি
পতঞ্জলি দাবি করেছে যে তাদের এই কৃষি মডেলটি সক্রিয়ভাবে সমগ্র গ্রামীণ ভারত জুড়ে কৃষকদের উন্নয়নের চিন্তা করে। সংস্থা জোর দিয়ে বলেছে যে তাদের প্রয়াস কেবল কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত। এটি একইসঙ্গে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে এবং আরও সচেতন ও সক্ষম গ্রামীণ কর্মসংস্থান গড়ে তোলে। পতঞ্জলি দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবি করে যে তাদের এই কৃষি মডেল গ্রামীণ ভারতে যৌথ উন্নয়নের অনুভূতিকে উৎসাহিত করে। এটি কেবলমাত্র অর্থনৈতিক অবস্থাকে শক্তিশালী করে এমন নয়, বরং স্থানীয় সম্প্রদায়ের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সচেতনতাকেও উৎসাহিত করে।






















