Youtube থেকে এবার বাড়বে ইনকাম? কী কী সুবিধা আনা হচ্ছে যেখানে হু হু করে আয় বাড়বে?
ইউটিউব স্টুডিও, শর্টস ও ভিডিও এডিটিং আরও সহজ করতে একগুচ্ছ নতুন জেনারেটিভ এআই ফিচার আনল গুগল-মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম। ভারতে যুক্ত হচ্ছে শপিং সুবিধাও।

নয়া দিল্লি: কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাজের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একঝাঁক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক নতুন টুল প্রকাশ্যে আনল বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। তাদের বার্ষিক 'মেড অন ইউটিউব' (Made on YouTube) ইভেন্টে ভিডিও আইডিয়া বের করা থেকে শুরু করে এডিটিং, ড্রাফট রিভিউ, থাম্বনেল তৈরি এবং কমেন্ট মডারেশন—প্রতিটি ধাপেই জেনারেটিভ এআইয়ের সংযোজন ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিয়েটরদের আয়ের নতুন পথ খুলে দিতে শপিং ফিচারের আওতাও বাড়ানো হচ্ছে।
কনটেন্ট নির্মাতাদের বড় একটি সময় কাটে ফুটেজ কাটাছেঁড়া ও সম্পাদনায়। এবার শর্টস এবং ‘ইউটিউব ক্রিয়েট’ অ্যাপে চ্যাট-ভিত্তিক এডিটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করবে গুগলের জেমিনি। অর্থাৎ সরাসরি প্রম্পট বা নির্দেশের মাধ্যমে ফ্রেম সাজানো, অপ্রয়োজনীয় পজ ছাঁটা কিংবা মিউজিক বিটের সঙ্গে ক্লিপ সিঙ্ক করার কাজ সেরে ফেলা যাবে এক ক্লিকেই।
ইউটিউব স্টুডিওতে নতুন এক ফিচার যোগ হচ্ছে, যা কোনো ভিডিও পাবলিশ করার আগেই তার ড্রাফট দেখে পেসিং, স্টোরিটেলিং এবং কনটেন্টের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে পরামর্শ দেবে। এছাড়া চ্যানেল-স্টাইল মেনে স্বয়ংক্রিয় থাম্বনেল তৈরি এবং একই ভিডিওর জন্য একাধিক থাম্বনেলের মধ্য থেকে দর্শকের রুচি অনুযায়ী সেরাটি বাছাই করার জন্য রয়েছে ডাইনামিক থাম্বনেল অপশন।
থাম্বনেল ও টাইটেল পরীক্ষার সফলতার পর এবার ক্রিয়েটররা একসঙ্গে তিনটি আলাদা ভিডিও কাটের মধ্যে এ/বি টেস্টিং চালাতে পারবেন। বিশেষ করে ভিডিওর শুরু বা হুক কোন কাটে দর্শককে বেশি ধরে রাখছে, তা সহজেই পরিসংখ্যান দিয়ে যাচাই করা যাবে।
ভিডিওর মাধ্যমে সরাসরি কেনাকাটার পরিসরও আরও বড় করছে সংস্থাটি। ভারতীয় ক্রিয়েটরদের জন্য অন্যতম বড় খবর—এখন ভিডিওতে সরাসরি অ্যামাজন পণ্যের ট্যাগিং করা যাবে। অন্যদিকে সাধারণ দর্শকরা যখন কোনো পণ্য খুঁজবেন, তখন ‘আস্ক ইউটিউব’ (Ask YouTube) চ্যাট ফিচারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন পণ্যের তুলনামূলক তালিকা ও বিবরণ দেখতে পাবেন।
ডিপফেক বা কৃত্রিমভাবে তৈরি নকল কনটেন্ট রুখতে আগেই ফেসিয়াল ডিটেকশন প্রযুক্তি এনেছিল ইউটিউব। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভয়েস ডিটেকশন প্রযুক্তিও। ফলে ক্রিয়েটরের অনুমতি ছাড়া তাঁর মুখের আদল কিংবা কণ্ঠ নকল করে তৈরি যেকোনো বিভ্রান্তিকর ভিডিও দ্রুত চিহ্নিত করে চ্যানেলের মালিককে সতর্ক করা সম্ভব হবে।
সেরা শিরোনাম























