Abhishek Banerjee: 'মস্তান-দুষ্কৃতীদের ঠেক ছিল', অভিষেকের অফিসে বুলডোজার চলা প্রসঙ্গে বললেন অভিজিৎ দাস ববির স্ত্রী
Abhishek Banerjee's Office: বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি বলেন, 'এটি অবৈধ এমপির অবৈধ এমপি অফিস। ভেঙে দেওয়া হল। অভিষেক ব্যানার্জী একটা অবৈধ এমপি।'

পার্থ প্রতিম ঘোষ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাড়ি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বুলডোজার চলল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আমতলার কার্যালয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অ্যাকশনে পুলিশ। ৩ খানা বুলডোজার নিয়ে প্রশাসন পৌঁছে যায় অভিষেকের আমতলার কার্যালয়ে। দরজার ডিজিটাল লক ভেঙে অফিসের ভেতরের এক রুমে ঢোকে দমকল। ত্রাসের আঁতুড়ঘর ছিল অভিষেকের এই অফিসই, দাবি বিজেপির। হাতুড়ি দিয়ে চলল ভাঙচুর। অভিষেকের অফিসে বুলডোজার চলা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি ও তাঁর। একদিকে অভিজিৎ যখন বলেন, 'অবৈধ সাংসদের অবৈধ অফিস ভাঙা হল।' তাঁর স্ত্রী বলেন, 'মস্তান-দুষ্কৃতীদের ঠেক ছিল।' আর কী কী বললেন তাঁরা?
বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ববি বলেন, 'এটি অবৈধ এমপির অবৈধ এমপি অফিস। ভেঙে দেওয়া হল। অভিষেক ব্যানার্জী একটা অবৈধ এমপি। ছাপ্পা ভোটে জেতা এমপি। যে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রয়োগ করতে দেয়নি। ও এখানে রাতারাতি একটা বেকারি পুড়িয়ে অবৈধ বিল্ডিং করে। বিল্ডিং বানানোর কোনও অনুমতি ছিল না। জমিটা কেনা হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্সের নামে। হাইকোর্ট থেকে সিজ় করা হয়েছে জমিটা। সেই জমিটাকে ইডি সিজ় করে গিয়েছে। সেই জমিতে থাকা বিল্ডিংটা অবৈধ। সেটা এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য আমাদের মাননীয় শুভেন্দুদা, এখানকার ডিএম, এসপি সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের এতদিনের যে দাবি ছিল... এই অবৈধ বিল্ডিংকে শেল্টার করে অভিষেক যেভাবে ক্রিমিনাল-রাজ শুরু করেছিল, যেভাবে পুলিশ জায়গা ঘিরে থাকত... সেই প্রথম ধাপটা ভাঙা হল। এরপর আস্তে আস্তে সব হবে। সবশেষে ভাইপোকে গারদে ভরা হবে। এটাই ডায়মন্ডবাসীর ইচ্ছা।'
অভিজিৎ দাসের স্ত্রী বলেন, 'এই ল্যাপটপের হার্ড ডিস্কে অনেক কিছু আছে। এই ল্যাপটপ কেউ ফেলে দেয়? কত অবৈধ নির্মাণের তথ্য আছে, তার ঠিক নেই। এখান থেকে যত অবৈধ কাজকর্ম চালানো যায়... ডায়মন্ডহারবারে অভিষেক দৃষ্টান্ত রেখে গিয়েছে, গুনে শেষ করা যাবে না। অতিষ্ট। আমার স্বামী অভিজিৎ দাস ওঁনার বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময় আমার বাড়ির সামনে গিয়ে প্রচুর দুষ্কৃতী নিয়ে গিয়ে বোমাবাজি করে এসেছিল। ওঁনার নেতৃত্বে হয়েছে। আমরা তো মস্তানদের চিনি না। শুধু জানতাম এখান থেকে এমন কিছু হয়, যার জন্য মানুষ ভয় পেয়ে যায়। মস্তান-দুষ্কৃতীদের ঠেক ছিল। দিনরাত পাহারা দেওয়া থাকত। কী যে এর মধ্যে যক্ষের ধন আছে, খুললে হয়তো দেখা যাবে। গোটা ৫০ পুলিশ সব সময় থাকত। যেদিন ওই অবৈধ এমপি আসত, সেদিন তো আর বলার কথাই ছিল না। কোথায় দেখেছেন সাংসদ আসলে জ্যামার বসানো হয়। ও আসলে এখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে গেলে ফোন কেটে যেত। ওর যে কীসের ভয় ছিল, নাকি কী করতে চাইত, ও-ই জানে।'
সাতগাছিয়ার বিজেপি বিধায়ক অগ্নিশ্বর নস্কর বলেন, 'এখানে অবৈধ ভাবে যে বিল্ডিংটা লিপস অ্যান্ড বাউন্সের নামে করা হয়েছিল, সেটার কোনও অনুমতি ছিল না। তাই প্রশাসন এই বিল্ডিং ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে। অবৈধ ভাবে বানানো এই ৫ তলা বিল্ডিংটি ভাঙার জন্য ডিএম, এসডিও, বিডিওরা সব অর্ডার দিয়েছেন।'






















