Adeno Virus: কোথাও খালি নেই পেডিয়াট্রিক ICU , অ্যাডিনো ভাইরাস ঘিরে ভয়াবহ পরিস্থিতি
উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ। রোগ ছড়াচ্ছে দ্রুত। তাই ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: কোভিডের (Covid 19) মতোই অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus) ঘিরে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। কোথাও পেডিয়াট্রিক আইসিইউ খালি নেই। সাধারণ আইসিইউ-তে (ICU) অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্তের চিকিৎসা সম্ভব নয়। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ। রোগ ছড়াচ্ছে দ্রুত। তাই ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
রাজ্যে অ্য়াডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল আরও ২ শিশুর। গতকাল রাতে বি সি রায় শিশু হাসপাতালে মৃত্যু হয় হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের ৯ মাসের শিশুকন্যার। পরিবারের অভিযোগ, শুধু অ্যাডিনো ভাইরাস নয়, শিশুর প্রাণ কেড়েছে হাসপাতালের গাফিলতি ও ভুল চিকিৎসাও। পরিবার সূত্রে খবর, ২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার ওই শিশুকে বি সি রায় শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১১ ফেব্রুয়ারি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর ফের জ্বরে আক্রান্ত হয় সে। অভিযোগ, ১৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়বার শিশুকে হাসপাতালে আনা হলে ভর্তি না করেই আউটডোর থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ, এরপর ১৯ ফেব্রুয়ারি শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বি সি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বেড না থাকায় আইসিইউ-তে রাখা যায়নি। এরপর গতকাল ওই শিশুর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।
অন্যদিকে, আজ ভোরে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত দেড়বছরের একটি শিশুর হয়। পরিবারের দাবি, কল্যাণীর মাঝের চরের বাসিন্দা ওই শিশুকে কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ থেকে দিনচারেক আগে কলকাতা মেডিক্যালে রেফার করা হয়েছিল। শিশুর পরিবারের অভিযোগ, আইসিইউ খালি না থাকায় বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ঘুরতে হয়। শেষপর্যন্ত কলকাতা মেডিক্যালে ভর্তি করা গেলেও প্রাণরক্ষা হল না।
২০১৮ সালেও কলকাতায় অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছিল। সেই সময় আক্রান্ত ৯৬ জন শিশুর ওপর একটি গবেষণাপত্র ২০২২ সালে প্রকাশিত হয়। ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের তরফে দুই শিশু চিকিৎসক প্রভাসপ্রসূন গিরি ও সুমন পোদ্দার গবেষণা করেন। অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে রাজ্যে প্রথম কোনও গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় বলে দাবি। গবেষণাপত্রে উল্লেখ, অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ২৭ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া, সুস্থ হয়ে যাওয়া শিশুদের পরবর্তীকালে দীর্ঘকালীন ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: East Burdwan: বালি বোঝাই ডাম্পার উল্টে ভাঙল বাড়ির দেওয়াল, মৃত এক
Before You Go
Maheshtala: একই জায়গায় সিপিএমের পথসভা ও বিজেপির জন্মাষ্টমী পালন ঘিরে বচসা, হাতাহাতি





















