Amit Shah on Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশে 'জিরো টরালেন্স' মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
Bangladeshi Infiltration: BSF-কে দ্রুত জমি হস্তান্তর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন অমিত শাহ।

গান্ধীনগর: অনুপ্রবেশে 'জিরো টরালেন্স', BSF-কে দ্রুত জমি হস্তান্তর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পাশাপাশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গেলে অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Infiltration) বিরুদ্ধে কোনওরকম আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে না, বলে আশ্বস্ত করেন অমিত শাহ।
'মমতার শাসনে পশ্চিমবঙ্গে আগে রোজ অনুপ্রবেশ হত। এখন অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই ফেরত যাচ্ছে। শুভেন্দু, বাংলার বিজেপি সরকার ডিটেনশন ক্যাম্প বানিয়েছন। কিন্তু আমরা সকলেই চাই যারা অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে এদেশে এসেছেন, তাঁরা যেন স্বেচ্ছায় ফিরে যান। অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই ফেরত গেলে, রাজ্য কোনও পদক্ষেপ নেবে না, বরং ফিরে যাওয়ার জন্য ওঁদের সহায়তাই করবে। আমি আশা করি পরিচয়পত্র যাচাই করার প্রক্রিয়া শুরুর আগেই ওঁরাই ফিরে যাবেন', BSF-কে দ্রুত জমি হস্তান্তরের জন্য শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় অমিত শাহ।
কেউ করতেন রাজমিস্ত্রীর কাজ, কেউ চালাতেন রিক্সা, তবে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুপ্রবেশে 'জিরো টলারেন্স' নীতির জেরে বাংলাদেশ সীমান্তে বাড়ছে ভিড়। SIR-এর আগে দেখা গিয়েছিল যে ছবি, উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে ফের সেই ছবিই দেখা যাচ্ছে।
আর পড়ুন:- ক্লাবে পার্টি অফিস, ছেলের জন্য ব্যাডমিন্টন কোর্ট! মমতার ভাইয়ের থেকে ‘দখলমুক্ত’ হল হরিশ পার্ক
এবার অনুপ্রবেশকারীদের হঠাতে সরকারের তৎপরতার মধ্য়েই এ দেশ ছেড়ে ও দেশে ফেরার তৎপরতা। তড়িঘড়ি দেশে ফিরলে বাঁচা যায়. একদিকে সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে BSF-কে জমি হস্তান্তর শুরু হয়ে গেছে। অন্য়দিকে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার খোলা হচ্ছে! এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিদের মধ্যে এবার ফেরার তাড়া। সোমবারের পর মঙ্গলবারও উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা গেল এই ছবি।
কেউ দালাল ধরে, কেউ বা কাঁটাতার পেরিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন। তারপর এক বছর, কেউ সাত বছর, কেউ বা এক যুগ ধরে থাকছেন এরাজ্যে! যেমন খুলনার বাসিন্দা ওবায়দুল। তিনি শিকার করে নিচ্ছেন পাসপোর্ট ছাড়াই এদেশে আসেন তিনি। তবে এখন বাধ্য হয়েই ফিরছেন তিনি। 'চলে যাচ্ছি এখন সরকার থাকতে দিচ্ছে না তাই', ওয়াবদুল।
বছর দু'য়েক আগে সীমান্ত পেরিয়ে এসেছিলেন। বাংলাদেশের নাগরিক সিরাজুল, সাতক্ষীরায় দিয়ে নীচে দিয়ে পার হয়ে এসেছিলেন। এদেশেই ছিলেন এক বছরের মতো। তবে এখন দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। খুলনা থেকে আসা আরেক অনুপ্রবেশকারী এখানেই রং মিস্ত্রী, জঙ্গল সাফাইয়ের কাজ করতেন। তিনি জানান, ‘এখানে থাকতাম দুর্গানগরে। এক বছর হয়ে গেছে। এখন ফিরে যাচ্ছি, সরকার বলছে দেশের মানুষ দেশে চলে যাও।’






















