Annapurna Yojana: অফলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম, এই পাতায় এই ভুল করলেই আটকে যাবে সব!
জুন থেকেই শুরু হচ্ছে নতুন 'অন্নপূর্ণা যোজনা'। প্রকল্পের আওতায় যেসব মহিলা উপভোক্তা থাকবেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে

কলকাতা: বুধবার রাতেই অনলাইনে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম। ১২ পাতার ফর্মে, নিজের ও পরিবার সম্পর্কে নানা তথ্য দিতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। শুক্রবার থেকে অফলাইনে ফর্ম পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
জুন থেকেই শুরু হচ্ছে নতুন 'অন্নপূর্ণা যোজনা'। প্রকল্পের আওতায় যেসব মহিলা উপভোক্তা থাকবেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। রাজ্য় সরকার জানিয়েছে, এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে নতুন করে ফর্ম ফিল আপ করতে হবে। বুধবার রাতেই অনলাইনে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম। আজ থেকে ফর্ম পাওয়া যাবে অফলাইনে।
রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম। ১৩টি পাতা রয়েছে তাতে। ইতিমধ্যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে সেই ফর্ম। তবে তাতে আবেদনকারী থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য চাওয়া হয়েছে। কোনও ভুল করলেই বাতিল হবে আবেদন। এমনকি ফর্মের শেষে পরিবার বলতে কী বোঝানো হয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, আচমকা বিস্ফোরণে চুরমার রকেট! পরীক্ষার মাঝপথেই ফেটে গিয়ে আকাশে আগুনের গোলা
আবেদনের সময় মাথায় রাখতে হবে বিষয়গুলি উল্লেখ্য, ফর্মে প্রত্যেকটি পার্ট বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ক্যাটাগরি অনুযায়ী আলাদা আলাদা তথ্য ইনপুট করতে হবে। যদিও অগ্নিমিত্রা পাল আগেই জানিয়েছিলেন যে, যারা আয়কর দেন তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে না, এবং যারা নাগরিকত্ব থেকে বাদ পড়েছেন তারাও পাবেনা সুবিধা। কিন্তু ফর্মে দেখা যাচ্ছে, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে পেশা, আয় নিয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। আর সেগুলি ৫, ৬ আর ৭ নম্বর পাতাতেই উল্লেখ রয়েছে। তবে তাড়াহুড়ো করে কোনও ভুল করলেই হতে পারে সমস্যা। এমনকি সরকারি বা বেসরকারি কোনও গুরুত্বপূর্ণ আবেদনের ক্ষেত্রে ভুল তথ্য দিলেও আইনি সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
যদি আপনি কোনও তথ্য ভুল প্রদান করেন, বিশেষ করে আয়ের ক্ষেত্রে। তাহলে আবেদনটি তৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সেই আবেদনকারীকে ব্ল্যাকলিস্টেড করে দেয়। যার ফলে ভবিষ্যতে আর কোনও প্রকল্প আবেদন করতে পারবেন না। বিশেষ করে এই ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর পাতাতে আয় সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক।
পাশাপাশি ফর্মের শেষে এমনিতেই ডিক্লারেশন উল্লেখ করা রয়েছে। যদি কোনও ভুল তথ্য আবেদন ফর্মে দিয়ে থাকেন, তাহলে ভবিষ্যতে আইনি সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এমনকি কোনও প্রকল্পেও আর সুযোগ নাও পেতে পারেন। তাই আবেদন করার সময় অবশ্যই বিষয়গুলো মাথায় রাখার চেষ্টা করুন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, '১ জুন থেকে ৯০ দিন এই প্রক্রিয়াটা চালাব। কীভাবে হবে? অনলাইনে হবে, অফলাইনেও হবে। বিডিও-রা এবং পুরসভা থেকে তাঁরা করবেন। পুরসভা, কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে ওয়ার্ডভিত্তিক, বরোভিত্তিকও হবে এবং আমাদের পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা, সুপারভাইজার বা অন্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও একটা ৩০ দিনের ড্রাইভ দেবেন'।
বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁদেরও অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ করতে হবে। সরকারের তরফে ভেরিফিকেশনের পর তালিকায় নাম উঠলে তবেই মাসে ৩ হাজার টাকা মিলবে। ভেরিফিকেশনে ফর্ম বাতিল হয়ে গেলে টাকা পাওয়া যাবে না।























