Annapurna Yojana : অন্নপূর্ণা যোজনায় আজ বড় ঘোষণা, এই বিষয় স্পষ্ট করে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী...
Suvendu Adhikari : দিনকয়েক আগে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা : "১৭ তারিখ থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হবে" বলে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যদিও এই সামাজিক প্রকল্প নিয়ে নানারকম বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এনিয়ে দিনকয়েক আগে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছিলেন, ১০ তারিখ সোমবার তিনি ক্রাইটেরিয়ার কথা জানিয়ে দেবেন। তাঁর কথায়, "কারা কারা বিবেচিত হবেন সম্পূর্ণ ক্রাইটেরিয়া ১০ তারিখ সোমবার বলে দেব।"
এই পরিস্থিতিতে অন্নপূর্ণা যোজনায় কারা প্রকৃত প্রাপক হবেন সেই মর্মে তিনি আজ বড় ঘোষণা করতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। অগাস্টে অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢোকা, না ঢোকা নিয়ে নানারকম চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই পরিস্থিতিতে আগের দিনের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, "আমাদের সব সোশ্যাল মিডিয়া টিম, যারা যারা রিল বানাচ্ছেন, রিল করছেন...খুব নজর রাখছে। যারা মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন তাঁদের চিহ্নিত করে রাখছি। মিথ্যা তথ্য যারা দিচ্ছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা হবে। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনও কারণ নেই।"
শুধু তা-ই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় কারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তা নিয়েও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে দু'জনের নামও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, "পশ্চিমবঙ্গে যেহেতু কাজ নেই, অর্থ নেই, বাড়িতে পরিযায়ী শ্রমিক...এই অর্থটা মোটামুটি একটা কোনও কাজ না করেই একটা অর্থ বিজেপি দেবে বলেছে...জনগণ এটা স্বীকার করেছে। বিজেপি এটা দেবে। আমি তো কমিটেড। আমি মুখ্যমন্ত্রী। পাওয়ার যোগ্য লোকরা নিশ্চয়ই পাবেন। কিন্তু, আমি দেখছি রিলগুলোকে পোস্ট যারা করছেন তাঁরা কেউ বিজেপিকে ভোট দেননি। আমি বিখ্যাত করব ? দুটো নাম বলে দেব ? আমি পাই...নূর আলম। আপনি ভোট দেননি বিজেপিকে । জানি আপনি কোনও দিন বিজেপিকে ভোট দেবেন না। মেহবুব। আপনি মেয়েদের কাছ থেকে ভিডিও করাচ্ছেন, করে রিল করে পোস্ট করছেন। এতে কিছু হবে না। এখানে বিজেপি ১০০ বছর থাকবে। যারা এইসব করছেন আমি প্রত্যেকটা লোককে চিহ্নিত করে রেখেছি। আপনারা বিজেপিকে ভোট দেননি। ২ কোটি ৯২ লক্ষর মধ্যে নেই নূর আলম ভাই আপনি। আপনি কোথায় ভোট দেন আমি জানি। কোথায় দেবেন ভবিষ্যতে সেটাও আমি জানি। আপনার ভোটের ওপর নির্ভর করে আমরা রাজনীতি করি না। নিশ্চিন্তে থাকুন, সমস্ত দিদি-মহিলার মুখে হাসি ফোটানোর কাজ আমরা করব।"























