Suvendu Adhikari: ২০২৪ সালে শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা, সভায় যেতে বাধা ! দায়ের হল FIR, কী ঘটেছিল সেই দিন ?
২০২৪ সালের ২১ মে, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ভোটপ্রচারে গেছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তারপর কী ঘটেছিল ? নতুন করে দায়ের করা হল FIR।

কলকাতা: সালটা ২০২৪। তখন তৃণমূল সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতার আসনে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় কেশপুরে ঘটে গিয়েছিল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ভোটপ্রচারে যাওয়ার সময় বাধার মুখে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির কর্মীরা। ফেরার সময় হামলা চালান হয় তাঁদের সময়। মারধর করা হয়। এবার এই ঘটনার ফাইল খুলছে সরকার। নতুন সরকারের মুখ্য়মন্ত্রীর নির্দেশে কেশপুরের ২০২৪ সালের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীকে সভায় যেতে বাধা, হামলার অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে FIR. তাতে তৃণমূলের তৎকালীন দুই অঞ্চল সভাপতি-সহ ১০ জনের নাম রয়েছে।
রাজ্য়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক পুরনো মামলার ফাইল খুলছে। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ২০২৪ সালের কেশপুরের ঘটনায় নতুন করে শুরু হয়েছে তদন্ত। তৃণমূলের তৎকালীন দুই অঞ্চল সভাপতি-সহ ১০ তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR.
২০২৪ সালের ২১ মে, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ভোটপ্রচারে গেছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যাওয়ার পথে ছুতারগেড়া, সরিষাখোলাতে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়েন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। ফেরার পথেও হামলা চালানো হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সভা থেকে ফেরার পথে সরিষাখোলায় নিজের কনভয় থেকে নেমে আসেন তিনি। সরাসারি হুঁশিয়ারি দেন পুলিশ আধিকারিকদের।
তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ''আমার মিটিংয়ে গেছে, ছেলেকে মেরেছে কোথায় তারা পালিয়ে গেছে না? যখন মারছিল আপনি ছিলেন? দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। বেতন কি ভাইপো দেয় আপনাদের না? ট্য়াক্সের টাকায় বেতন পান লজ্জা লাগে না? ইলেকশন কমিশনের অধীনে আছেন কী সাহস!''
এখন তিনি রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার কেশপুরে দাঁড়িয়েই ফাইল খোলার নির্দেশ দেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ''২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে এই কেশপুরে আমাকে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। আমি বলব আমি কিচ্ছু ভুলিনি। মাননীয় SP ওই মামলাটা আপনি বের করবেন। যারা জড়িত ছিল, তাদেরকে আমি জেলে দেখতে চাই।''
এরপরই কেশপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা তারক জানা। খুনের চেষ্টা-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের হয় মামলা। তৃণমূলের কেশপুরের ১১ নং অঞ্চলের প্রাক্তন সভাপতি কাজি সাহাদাত, ১৪ নং অঞ্চলের প্রাক্তন সভাপতি ভাস্কর চৌধুরী-সহ ১০ তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে।






















