Babul Supriyo: "বিজেপিতে যাব না, এই কথাটা আমি কেন বলব? রাঘব চাড্ডা হওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই আমার", মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন বাবুল
Mamata Banerjee: বাবুল সুপ্রিয় বলেন, "দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে। যাঁদের উনি অগাধ বিশ্বাস করেছিলেন, তারা যদি এখন প্রশ্ন করে কে তৃণমূল তাহলে তো অবশ্যই খারাপ লাগে।"

কলকাতা: ক্রমশ ফাঁকা হচ্ছে 'কালীঘাট তৃণমূল'। আর এই অবস্থাতেও কিন্তু তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই রয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলছেন, যে সব বিদ্রোহীরা বড় বড় কথা বলছেন, তাঁরা পদ ছেড়ে দিন। একই সঙ্গে তিনি বলছেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন ও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চেও তাঁকে দেখা যাবে।
আরও পড়ুন: শুধু বেতন নয়, আয়কর রিটর্নে এই সব তথ্য না জানালে চাপে পড়বেন আপনিও!
বাবুল বলেন, দিদির জন্য তাঁর খারাপ লাগছে। তিনি বলেন,"দিদির জন্য মন খারাপ লাগছে। তার কারণ, যাঁদের উনি আঙুল ধরে তুলে এনেছিলেন, অগাধ বিশ্বাস করেছিলেন, তারা যদি এখন প্রশ্ন করে কে তৃণমূল, তৃণমূলের বিধায়ক থাকাকালীন যদি কে তৃণমূল জিজ্ঞাস করে, তাহলে তো অবশ্যই খারাপ লাগে। আমার তো মনে হয়, তাঁরা যদি এতটাই বলছেন, তাঁরা পদটা ছেড়ে দিন। তাঁদের যদি মনে হয় তাঁরা খুব পপুলার, তাহলে পদটা ছেড়ে দিয়ে তাঁরা যে দলের দিকে গিয়েছেন, সেই দলের টিকিটে তার দাঁড়ান। জিতে আবার স্বমহিমায় ফিরুন।"
একই সঙ্গে তিনি নিজে বিধায়ক থাকাকালীন কীভাবে কাজ করেছেন, সেটাও বললেন। কিছু না করতে পারা আর করার চেষ্টা না করা, পার্থক্য আছে, সেটাও বললেন তিনি। বাবুল বললেন, "সব কাজ যে করে দেওয়া যায়, তা তো নয়। কোনও বিধায়ক যদি কাজ করার চেষ্টা করে, তাহলেও মানুষ লক্ষ্য করে। আমি কি আসানসোলে সব কাজ করতে পেরেছিলাম? পারিনি। আমি কি হিন্দুস্থান কেবল খুলতে পেরেছিলাম? পারিনি। কিন্তু সেখানের মানুষ আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিল। কারণ, আমি ভীষণ ভাবে চেষ্টা করেছিলাম।"
বিজেপিতে কি যাবেন? সপাটে উত্তর বাবুল সুপ্রিয়র। তিনি বলেন, "আমি আবারও বলছি, বিজেপিতে যাব না, এই কথাটা আমি কেন বলব? ওরা কি আমার জন্য মালা নিয়ে অপেক্ষা করছে নাকি আমি মালা কিনেছি? কাজেই আমি কোনও কিছু বলতেই চাই না। আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকব। রাঘব চাড্ডা হওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই আমার। যেগুলো আমার মনে হবে, নেত্রী বলবেন, সেগুলো আমি করব।"
একই সঙ্গে বাবুল বলেন, অন্য শিবিরের অনেকেই নাকি চোখ মেলাতে পারছেন না। তাঁর কথায়, "ঋতব্রত শিবিরের কয়েকজনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। কিন্তু তারা কেমন চোখে চোখ মেলাতেই পারছে না। ২১ জুলাই দিদির সঙ্গেই থাকব। আরও একটা ব্যাপার, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুরু থেকেই বলছেন যারা ভ্রষ্টাচার করেছেন, কেউ ছাড় পাবেন না। তো যারা এই বদল করছেন, তাঁদের মধ্যে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে কী হয়, সেটা দেখার জন্য অপেক্ষায় রাজ্যের মানুষ।"























