Bankura News: টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে দ্বারকেশ্বরের জল, তলিয়ে গিয়েছে সেতু, একেবারে বন্ধ যাতায়াত
River Overflow: জলের তলায় চলে গিয়েছে বাঁকুড়া শহর লাগোয়া মীনাপুর সেতু। সেতু জলের তলায় থাকায় চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন গ্রামগুলির বাসিন্দারা।

পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া : লাগাতার বৃষ্টিতে দ্বারকেশ্বরের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার জলের তলায় চলে গিয়েছে বাঁকুড়া শহর লাগোয়া মীনাপুর সেতু। গত ৩ দিন ধরে এই সেতুর উপর দিয়ে প্রায় ৫ ফুট উচ্চতায় প্রবল বেগে বয়ে যাচ্ছে দ্বারকেশ্বর নদের জল। ফলে ওই সেতু দিয়ে যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সমস্যায় পড়েছেন বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।
বাঁকুড়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে দ্বারকেশ্বর নদ। এই নদের একপাশে থাকা বাঁকুড়া শহরের সঙ্গে নদের অন্য পাড়ে থাকা বাঁশি, আড়াল বাঁশি-সহ বিভিন্ন গ্রামে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম মীনাপুর সেতু। গ্রামগুলিতে উৎপাদিত সবজি বাজারে পাঠানো হোক বা স্কুল কলেজের পড়ুয়াদের যাতায়াত - সব ক্ষেত্রেই গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ব্যবহার করতে হয় মীনাপুর সেতু। কিন্তু সেই সেতু জলের তলায় থাকায় চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন গ্রামগুলির বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি প্রতি বছর বর্ষায় এই সেতু দ্বারকেশ্বরের জলে ডুবে যায়। খবর পেয়ে সেতু পরিদর্শনে আসেন নেতা মন্ত্রীরা। উঁচু সেতু তৈরির আশ্বাসও দেন। কিন্তু বর্ষা পেরোলেই ফের তাঁরা ভুলে যান প্রতিশ্রুতির কথা। ফলে এলাকার মানুষের ভোগান্তি থেকে যায় আগের মতোই।
১০ হাজার টাকা তোলা না দেওয়ায় বাইক সারানোর গ্যারেজ মালিককে মারধরের অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে
বিগত কয়েকদিনে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টি হচ্ছে বাঁকুড়াতে। আর তার প্রভাবেই গন্ধেশ্বরী নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে বিপজ্জনকভাবে। এর ফলে বাঁকুড়া ও উগড়াডিহির মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী মানকানালী সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে। পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে ওই সেতু দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওই সেতু দিয়ে পারাপারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাঁকুড়া থেকে উগড়াডিহি যাওয়ার অন্যতম প্রধান যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কয়েকদিন আগে ওই সেতুর একটি অংশ ধসে গিয়ে ভেঙে পড়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই সেতুতে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে, ঝুঁকি নিয়েই অনেকে মোটর সাইকেল নিয়ে ও পায়ে হেঁটে এই সেতু পারাপার করছিলেন। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ সেতুর দু'প্রান্তে ব্যারিকেড বসিয়ে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টির জেরে গন্ধেশ্বরী নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রবল স্রোতে পুলিশের বসানো ব্যারিকেডও ভেসে যায়। এরপর নদীর জল আরও বাড়তে থাকায় পুরো সেতুই জলের তলায় চলে যায়। বর্তমানে সেতুর উপর দিয়ে তীব্র স্রোতে জল বইছে, ফলে সেখানে যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে।























