SIR Hearing: "স্ট্রোক হওয়ায় ছাড়তে হয়েছে চাকরি ..", এবার পক্ষাঘাতগ্রস্ত মহিলাকে শুনানিতে ডেকে হেনস্থার অভিযোগ খাস কলকাতায় !
SIR Hearing Harassment: মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় যখন দিল্লিতে তখন SIR-এর শুনানিতে হেনস্থা, হয়রানির অভিযোগ খাস কলকাতার মাটিতে

সুদীপ্ত আচার্য, রঞ্জিত হালদার ও সমীরণ পাল, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে SIR নিয়ে তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় যখন দিল্লিতে তখনও এরাজ্য়ে SIR-এর শুনানিতে হেনস্থা, হয়রানির অভিযোগ উঠেই চলেছে। এমনকী, পক্ষাঘাতগ্রস্ত এই মহিলাকে অবধি শুনানিতে ডেকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। জেলা থেকেও হেনস্থা-হয়রানি-অশান্তির অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন, "রাতে ডেকে নিয়ে যায় বন্ধুরা...", খাস কলকাতার তপসিয়ায় যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু !
হুঁশিয়ারি, আক্রমণ, চ্য়ালেঞ্জ চলছিলই। অবশেষে SIR-আবহে সোমবার মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তার আগে সংঘাতের পারদ আরও চড়িয়ে, রবিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী।মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় যখন দিল্লিতে তখনও এরাজ্য়ে SIR-এর শুনানিতে হেনস্থা, হয়রানির অভিযোগ উঠেই চলেছে। এমনকী, পক্ষাঘাতগ্রস্ত এই মহিলাকে অবধি শুনানিতে ডেকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে।
কসবার বাসিন্দা সায়নী সরকার বলেন, আমার কাগজপত্র আছে, কিন্তু নিচ্ছে না...হয়রানি করছে। ইনি বছর সাঁইত্রিশের সায়নী সরকার। কসবার বাসিন্দা। পেশায় শিক্ষিকা। বছর পাঁচেক আগে স্ট্রোক হওয়ায় চাকরি ছাড়তে হয়েছে!অভিযোগ এই অবস্থায় বারবার হয়রানি করা হচ্ছে তাঁকে। ২৬ জানুয়ারি একবার শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। রবিবার ফের ডাকা হয় কসবার গয়ারাম শিশু শিক্ষানিকেতনে। সায়নী সরকারের স্বামী রক্তিম সরকার বলেন, আমাকে বাবা হিসেবে দেখাতে বলেছে এটা সম্ভব নয়....।'
কলকাতার যখন এই ছবি তখন হেনস্থা-হয়রানি-অশান্তির অভিযোগ উঠেছে জেলা থেকেও। দেগঙ্গা বিডিও অফিসে শনিবার SIR শুনানিতে এসে অসুস্থ হয়ে প়ড়েন এক মহিলা। সেই ঘটনা ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি! ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ! এসব নিয়েই তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত চলছেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ৪২ দিনে ৬টি চিঠি লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্য়ে শেষ চিঠিটি তিনি লেখেন শনিবার।
সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কয়েকজন মাইক্রো অবজার্ভার CEO অফিসে বসে আইনি অনুমোদন ছাড়াই ECI পোর্টাল নিয়ন্ত্রণ করছেন। SIR প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করছেন তাঁরা। এমনকী মাইক্রো অবজার্ভারদার বিরুদ্ধে তথ্যের গরমিলের মতো অভিযোগও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এভাবে পিছনের দরজা দিয়ে বড় সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
SIR নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে নাম না করে বারবার আক্রমণও শানিয়েছে তৃণমূল শীর্ষনেতৃত্ব। সংঘাতের এই আবহে ৩১ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন কমিশনে গিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সবমিলিয়ে বিধানসভা ভোটের আগে SIR নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি একেবারে উত্তপ্ত।























