Suvendu On SIR: "কেন এত নরম লাইন নিচ্ছে কমিশন? অ্য়াকশন নিক", SIR ইস্যুতে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা বললেন শুভেন্দু
Suvendu On EC : SIR ইস্যুতে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

কলকাতা: SIR ইস্যুতে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। শুভেন্দু বলেন, ইলেকশন কমিশনকে তো আর্টিক্যাল ৩২৪ ধারায় বাবাসাহেব আম্বেদকর পুরো পাওয়ার দিয়ে গিয়েছেন। ইলেকশন কমিশনও কেন এত নরম লাইন নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন? চিঠিতে কিছু হবে না। অ্য়াকশন নিক। নইলে আমরা ভোটাররা সুপ্রিম কোর্টে যাব। এতদিন তো ইলেকশন কমিশনার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকেরা যাচ্ছেন। এরপরে পাবলিক যাবে।'
আরও পড়ুন, ডেডলাইনের ২০ ঘণ্টা পার, কমিশনের নির্দেশের পরেও TMC বিধায়ক মণিরুলের নামে দায়ের হয়নি কোনও FIR
ভবানীপুরে নেতাজির বাড়িতে যান শুভেন্দু
প্রসঙ্গত, আজ নেতাজির জন্মদিন। সকালেই প্রথমে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্য়ায়ের বাড়ির সামনে থেকে মিছিল করে ভবানীপুরে নেতাজির বাড়িতে যান শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা বলেন, ওঁর (নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর) বাড়ির বর্তমান যাঁরা বংশধররা আছেন, ড. সুগত বসু সহ তাঁরা বাকিরা আমাদের সব ঘুরিয়ে দেখালেন এবং অত্য়ন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের উৎসাহিত করলেন। আমাকে তিনি পরামর্শ দিলেন, আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমি ওঁকে বললাম রেড রোডে যাই প্রতিবারে। আমি মালা দেওয়ার পরে মালাটা PWD-র লোকেরা ফেলে দেয়।
অপরদিকে, শুক্রবার ধর্মতলায় নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে নেতাজির জন্মমুহূর্তকে স্মরণ করে বেজে ওঠে সাইরেন। শঙ্খ বাজান মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এদিন, রাজ্য সরকারের নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষ্য়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একসঙ্গে দেখা যায় নেতাজি পরিবারের সদস্য় সুগত বসু ও চন্দ্র বসুকে। সুগত বসু ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন। অন্যদিকে, চন্দ্র বসু ২০১৬-তে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি করে বিজেপি। সেবছরই বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির হয়ে লড়েন। কিন্তু দু'বারই হেরে যান।
এদিন সেই দু'জনই ছিলেন ধর্মতলায় রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় প্রশ্ন তোলেন, আজ সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে থাকলে তাঁর নামটাও, তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হত? চন্দ্রবাবুকে তো অলরেডি ডেকেছেন। আমাদের দুর্ভাগ্য়, আজও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন জাতীয় ছুটির দিবস হিসেবে ঘোষণা হয়নি।' সব মিলিয়ে, শুক্রবার নেতাজিকে সবাই স্মরণ করলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁকে নিয়ে রাজনীতি হল বেশি, যিনি কিনা সবসময় মনে করতেন রাজনীতির উর্ধ্বে দেশ।






















