Mamata On Netaji: "আজ সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে থাকলে, তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হত?", নেতাজির জন্মদিনে বড় প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর
Mamata On Netaji Birthday Saraswati Puja 2026: নেতাজির জন্মদিনে কমিশনের বিরুদ্ধে বড় প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা: আজ ২৩ জানুয়ারি বিশেষ দিন। একদিনে আজ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের জন্মদিন। অন্যদিকে, আজ সরস্বতী পুজো। রেড রোডের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, (নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের ) এই জন্মদিবস পালন অনুষ্ঠানে, তার জন্মলগ্নকে স্মরণ করে, আমরা এই সভা করছি। ..আমরা লক্ষ্য রাখছি ভারতবর্ষের ইতিহাসকে গুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভারতবর্ষের মনীষীদের অসম্মান করা হচ্ছে। ..একটা অসহিষ্ণুতা, অকৃতজ্ঞতাসুলভ আচরণ। তাঁদের প্রতি অসম্মান, ভাষার প্রতি অসম্মান। আমাদের অস্মিতাকে আজকে আমাদের সকলের সামনে এনে দাড় করিয়েছে। বাংলা কি সব মেনে নেবে ?' প্রশ্ন তোলেন মমতা।
'কেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হবে না?'
মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, 'আজও নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি হিসেবে পালন করা হয় না। নিজেদের ইতিহাস চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আজ পদে পদে সংবিধানকে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষ ৩৪ হাজার মানুষকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। SIR আতঙ্কে ১১০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। কেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হবে না?আজ এতদিন পর আমাদের প্রমাণ করতে হবে, আমি দেশের নাগরিক কি না? মানবিকতাকে লড়তে হচ্ছে অমানিবকতার সঙ্গে। মিস-ম্যাচ করে মানুষকে যন্ত্রণায় ফেলা হচ্ছে। মানুষ কিন্তু পিছু ছাড়বে না।সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতিও অনেক অন্যায় করা হয়েছে।'
শুক্রবার ধর্মতলায় নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী
শুক্রবার ধর্মতলায় নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে নেতাজির জন্মমুহূর্তকে স্মরণ করে বেজে ওঠে সাইরেন। শঙ্খ বাজান মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এদিন, রাজ্য সরকারের নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষ্য়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে একসঙ্গে দেখা যায় নেতাজি পরিবারের সদস্য় সুগত বসু ও চন্দ্র বসুকে। সুগত বসু ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন। অন্যদিকে, চন্দ্র বসু ২০১৬-তে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে রাজ্য সহ সভাপতি করে বিজেপি। সেবছরই বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির হয়ে লড়েন। কিন্তু দু'বারই হেরে যান।
"আজ সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে থাকলে তাঁর নামটাও, তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হত?"
এদিন সেই দু'জনই ছিলেন ধর্মতলায় রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় প্রশ্ন তোলেন, আজ সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে থাকলে তাঁর নামটাও, তাঁকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হত? চন্দ্রবাবুকে তো অলরেডি ডেকেছেন। আমাদের দুর্ভাগ্য়, আজও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন জাতীয় ছুটির দিবস হিসেবে ঘোষণা হয়নি।' সব মিলিয়ে, শুক্রবার নেতাজিকে সবাই স্মরণ করলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁকে নিয়ে রাজনীতি হল বেশি, যিনি কিনা সবসময় মনে করতেন রাজনীতির উর্ধ্বে দেশ।





















