RG Kar Case: আর জি কর কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি চাইলেন অভয়ার মা, নামের তালিকা দিলেন রত্না দেবনাথ, আদালতে সিবিআই বলল…
Ratna Debnath: তিন জনের গ্রেফতারি চাইছেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। তৃণমূল নেতাদের নাম তালিকায়।

কলকাতা: রাজ্য়জুড়ে এখন ঘটনার ঘনঘাটা। একদিকে নতুন মুখ্য়মন্ত্রীর একের পর এক কড়া সিদ্ধান্ত। অ্য়াকশন মোডে প্রশাসন।কড়া হাতে অবৈধ কাজকর্ম দমন করা হচ্ছে। অন্য দিকে, রাজ্য বিধানসভায় নতুন বিধায়কদের শপথগ্রহণও চলছে। সেই আবহেই আদালতের দ্বারস্থ আর জি কর হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার এবং খুন হওয়া চিকিৎসকের মা, বিজেপি-র নবনির্বাচিত বিধায়ক রত্না দেবনাথ। তিন জনের গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন। এর মধ্যে দু'জন তৃণমূলের নেতা। তৃতীয় জন বাম থেকে রংবদল করেছিলেন বলে দাবি। (Ratna Debnath)
বুধবার রাজ্য বিধানসভায় নব নির্বাচিত সদস্যরা যখন শপথ নিচ্ছেন, সেই সময় শিয়ালদা কোর্টে পানিহাটি থেকে নির্বাচিত বিজেপি-র বিধায়ক, অভয়ার মা, রত্না। আর জি কর হাসপাতালে তাঁর মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনায় আরও তিন জনের গ্রেফতারির দাবি তোলেন তিনি। শপথগ্রহণের আগে আদালতে কী করছেন জানতে চাওয়া বলে বলেন, "আমরা কোর্টে একটা পুট আপ দিয়েছি। তাই এসেছি এখানে। তিন জন সন্দেহভাজন। সেই তালিকা দিয়েছি আমরা।" (RG Kar Case)
আরও পড়ুন: হাসপাতালের বাইরে টাইম বম্ব, কার্যত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি, শেষ মেশ নিষ্ক্রিয় করা গেল
মেয়ের জন্য বিচার ছিনিয়ে আনতেই রাজনীতিতে প্রবেশ রত্নার। শিয়ালদা কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "আগে এটাই প্রায়োরিটি। মেয়ে আমার গোটা পৃথিবী ছিল। গোটা পৃথিবী অন্য দিকে গেলেও, আমার এই জায়গাটা থাকবে। মেয়ের জন্য অন্তত।" আদালতে সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জনের তালিকা দিয়েছেন রত্না। সেই তিন জন হলেন--- পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পানিহাটির বর্তমান চেয়ারম্য়ান তথা তৃণমূল নেতা সোমনাথ দে এবং পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্য়ায়। সঞ্জীব আগে বাম শিবিরে থাকলেও, পরবর্তীতে রং বদলান বলে আদালতে জানান অভয়ার মায়ের আইনজীবী।
আরও পড়ুন: বেআইনিভাবে টোল আদায় নিয়ে এবার কড়া রাজ্যের নতুন সরকার, এল বড় নির্দেশ
বুধবার বিচারক সুলতান মামুদের এজলাসে মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে CBI-এর আইনজীবী পার্থসারথি দত্ত জানান, তাঁদের কিছুটা সময় প্রয়োজন। অভয়ার মায়ের আইনজীবী বলেন, "সেই সময় এই তিন জনের হঠাৎ তৎপরতা, সেটা সত্যিই সন্দেহজনক। সেই দাবিতেই আজ অ্যাপ্লিকেশন দিয়েছিলাম আমরা। আজ সবচেয়ে ভাল সেই জায়গাটা দেখলাম, এতদিন বাদে সিবিআই বলল, আমাদের একটু সময় দিন। সিবিআই-ও সময় চাইছে। সময়টা এই মামলায় বড় ফ্যাক্টর। ঘড়ির কাঁটা তো থেমে নেই। সিবিআই সময় চেয়েছে। দেখা যাক এই সময়ে ওঁরা কী করেন।" আগামী ৫ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি।





















