Anti Waqf Protests in Murshidabad: কাশ্মীরি পণ্ডিত হতে হবে বাংলার হিন্দুদের? রাজ্যে AFSPA চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি BJP সাংসদের
AFSPA Demand by BJP in West Bengal: ওয়াকফ আইন বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ।

কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর আবেদনে সায় দিয়ে অশান্ত মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার মুর্শিদাবাদে AFSPA জারির দাবি তুললেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্য়োতির্ময় সিংহ মাহাতো। পশ্চিমবঙ্গের সীমানাবর্তী এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন জারি করা হোক বলে দাবি জানিয়েছেন তিনি। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে উপদ্রুত ঘোষণা করে, মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকায় AFSPA জারির দাবি তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন জ্য়োতির্ময়। (Anti Waqf Protests in Murshidabad)
ওয়াকফ আইন বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ। এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নতুন করে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে খবর। সেই আবহেই AFSPA জারির দাবি তুললেন জ্যোতির্ময়। তাঁর বক্তব্য, 'এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি, তাকে নেহাত অরাজকতা বললে কম হয়। বেছে বেছে হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশানা করা হচ্ছে। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের তুষ্টিকরণের রাজনীতি এবং প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তাই এর জন্য দায়ী'। (AFSPA Demand by BJP in West Bengal
জ্যোতির্ময় অভিযোগ করেছেন, সংশোধিত ওয়াকফ আইন পাস হওয়ার পর যেভাবে হিংসা ছড়িয়েছে, তাতে আইনশৃঙ্খলার প্রকৃত রূপ উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে সকলের সামনে। সশস্ত্র ভিড় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করছে, এমনকি পুলিশবাহিনীও। কলকাতা হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। এতে প্রশাসনিক ব্যর্থতা স্পষ্ট।
🔴 Bengal Burning. Hindus Bleeding.
— Jyotirmay Singh Mahato (Modi Ka Parivar) (@JyotirmayBJP) April 13, 2025
Murshidabad, Malda, Nadia, South 24 Parganas—Hindus attacked, homes looted, lives lost.
TMC’s appeasement has failed law & order.
Like Kashmiri Pandits once, Bengali Hindus are being hunted.
📢 I urge @AmitShah ji to impose AFSPA under Sec 3… pic.twitter.com/7OCyOl3G4O
আরও এককদম এগিয়ে জ্যোতির্ময় চিঠিতে লিখেছেন, ‘ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হচ্ছে, আজ পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের যেভাবে ভীতিপ্রদর্শন করা হচ্ছে, যেভাবে তাঁদের একঘরে করা হচ্ছে, যেভাবে তাঁদের উপর হিংসা প্রয়োগ করা হচ্ছে, তার সঙ্গে ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রস্থানের মিল পাওয়া যাচ্ছে। এখনই পদক্ষেপ না করলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে, তবে এবার আর উপত্যকায় নয়, বাংলায়’। ১৯৫৮ সালের AFSPA আইন জম্মু ও কাশ্মীর, মণিপুরের মতো কিছু রাজ্যে আগেই কার্যকর হয়েছে। এই আইনের আওতায় বিশেষ ক্ষমতা পায় সেনা। কোনও রকম ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালাতে পারে, বলপ্রয়োজও করতে পারে।
জ্য়োতির্ময়ের AFSPA চালুর এই দাবিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তাঁর কথায়, "এগুলো কিছু না। এখন রাজনীতির সময় নয়। পুলিশ-প্রশাসন জায়গা ঠিক করুক। আমরা রাজ্য প্রশাসনের উপর ভরসা রাখছি। অপরাধী অপরাধীই। পুলিশই অপরাধীদের ঠান্ডা করতে পারে। কারও সর্বনাশ, কারও পৌষ মাস। ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে বিজেপি।"





















