Kolkata News : বালিগঞ্জের অভিজাত আবাসনে হাইকোর্টের আইনজীবীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ! 'আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে' গেলেন কীভাবে ?
Ballygunge Advocate Unnatural Death : বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের অভিজাত আবাসনে ৫২ বছর বয়সি কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীর অস্বাভাবিক মৃত্য়ু ! অস্বাভাবিক মৃত্য়ুর মামলা রুজু

কলকাতা: বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের অভিজাত আবাসনে আইনজীবীর অস্বাভাবিক মৃত্য়ু। মৃতের নাম কৌস্তভচন্দ্র দাস। ৫২ বছর বয়সি কলকাতা হাইকোর্টের ওই আইনজীবী শনিবার আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে যান। তড়িঘড়ি তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
জানা গিয়েছে, স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আবাসনে থাকতেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, বেশকিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই আইনজীবী। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাজেও যেতে পারছিলেন না। এই ঘটনায় বালিগঞ্জ থানায় অস্বাভাবিক মৃত্য়ুর মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন আইনজীবী।
যদিও আইনজীবীর রহস্যমৃত্যু প্রথমবার নয়।গত বছরের শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টের এক নিখোঁজ আইনজীবীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। বর্ধমান শহরে উদ্ধার হয়েছিল ওই আইনজীবীর দেহ । কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল বর্ধমান শহরে। স্বস্তিক সমাদ্দারের বাড়ি বর্ধমানের ডিভিসি মোড়ের মালঞ্চ এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছিল, গত ২১ জানুয়ারী বাড়ি থেকে একটি পালসার বাইক নিয়ে বেড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই আর তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
এরপরেই পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ধমান থানায় নিখোঁজ ডাইরি করা হয়েছিল। উল্লাসের পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ । অতীতে গড়ফায় মহিলা আইনজীবীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরেও দানা বেঁধেছিল রহস্য। মৃতের নাম রমা পাল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। গড়ফায় সেলিমপুর লেনের বাড়িতে একাই থাকতেন বছর ৬৫-র ওই মহিলা। জানা গিয়েছিল, রাত ১২ টা নাগাদ রমা পালের বাড়ির দরজা খোলা ছিল, দেখতে পান প্রতিবেশিরা। তাঁদের দাবি, ঘরে পড়েছিল দেহ।
বছরতিনেক আগে দমদমের অভিজাত আবাসনে এক আইনজীবীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে হইচই পড়ে গিয়েছিল। মল রোডে নিজের চেম্বারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানোর জেরে প্রাণ যায় ওই আইনজীবীর। নিজের লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিভলভার থেকেই গুলি চালান ওই আইনজীবী, উঠে আসে এমনই। মৃতের নাম ছিল বিজলিকান্ত ভট্টাচার্য। ২০১৭ সালে আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার হরিনাভিতে এক মহিলা আইনজীবীর রহস্যমৃত্যু ঘিরেও হইচই পড়ে যায়। সে বার ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল বলে জানান মৃতার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। যদিও তা মানতে নারাজ বাপের বাড়ির লোকজন।






















