Justice Abhijit Ganguly: তিনটি ফ্ল্যাট ভেঙে বড় ফ্ল্যাট পেয়েছেন! নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত আরও এক অভিনেত্রী! বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা
SSC Case: সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায় ওই রহস্যময়ীর উল্লেখ শোনা যায়, যা থেকে ঠাহর হয়, ওই রহস্যময়ী পেশায় অভিনেত্রী হতে পারেন বলে।

সৌভিক মজুমদার, সুদীপ্ত আচার্য ও অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এখনও উত্তালব গোটা রাজ্য (SSC Case)। মন্ত্রী থেকে নেতা, প্রাক্তন শিক্ষাকর্তা থেকে মিডলম্য়ান, এখনও পর্যন্ত নানা জনের নাম উঠে এসেছে। জেলবন্দিও হয়েছেন অনেকে। আইনি লড়াই চলছে। ঘুরে ফিরে উঠে আসছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধারের উল্লেখ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামও এখনও স্মৃতিতে তরতাজা। তারই মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে আরও এক রহস্যময়ীকে ঘিরে দানা বাঁধছে জল্পনা। কারণ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি খোদ তাঁর খোঁজ করলেন (Calcutta Kigh Court)।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামও এখনও স্মৃতিতে তরতাজা
সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) কথায় ওই রহস্যময়ীর উল্লেখ শোনা যায়, যা থেকে ঠাহর হয়, ওই রহস্যময়ী পেশায় অভিনেত্রী হতে পারেন বলে। কারণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, "এই অভিনেত্রীকে দেখতে চাই। দেখতে চাই তাঁর সিনেমাও।"
আরও পড়ুন: Anubrata Mondal: বীরভূম পৌঁছে খোঁজ নিলেন সুকন্যার, তবু মমতার সফরে ব্রাত্যই রইলেন অনুব্রত
ঠিক কোন প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়! শুনানি চলাকালীন গতকাল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, "আমি শুনেছি, এক অভিনেত্রী তিনটি ফ্ল্যাট ভেঙে একটি বড় ফ্ল্যাট পেয়েছেন। জানতে চাই কে তিনি।" অভিনেত্রীর নাম জানিয়ে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-কে হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
কিন্তু, এই অভিনেত্রী আসলে কে? নিয়োগ দুর্নীতিতে কী তাঁর ভূমিকা? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "আমরা চাই, নিয়োগে যে সংগঠিত অপরাধ, লুঠ হয়েছে, তাতে বড় রুই-কাতলাদের সামনে আনুক ইডি।"
হলফনামা পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়
তবে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষের কথায়, "যত ক্ষণ না নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দিয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে, তার আগে যদি আকারে ইঙ্গিতে কাউকে লক্ষ্য করে কুৎসা করা হয়, প্রচারের জন্য, নেতিবাচক ধারণার জন্য, ইচ্ছাকৃত ভাবে কুৎসা ছেড়ে দেওয়া হয়, তা নিন্দনীয়। আমি নিশ্চিত, যাঁকে ইঙ্গিত করে এই কুৎসা ছড়ান হচ্ছে, তিনি সব দেখছেন। যথাযোগ্য ময়ে প্রমাণ দিয়ে বুঝিয়ে দেবেন যে তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা করা হচ্ছে। "






















