Abhishek Banerjee: 'নতুন করে কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে', নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৮ টি মামলায় আর নয় রক্ষাকবচ।'

কলকাতা: ফের চাপ বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। নতুন করে এখনই কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
'প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ১৭টি মামলায় রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ভবিষ্যতেও যাতে FIR দায়ের না হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল', হাইকোর্টে সওয়াল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বলের।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৮ টি মামলায় আজ নয় রক্ষাকবচ। সব মামলা একত্র করে কীভাবে শুনানি সম্ভব? সার্বিক রক্ষাকবচ কীভাবে দেওয়া যায়?' এদিন এই প্রশ্নই করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর।
আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পিছোল শুনানি।
এর আগে বিদেশে গিয়ে চোখের চিকিৎসা করানোর বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে আমল দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ ছিল, প্রয়োজনে মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে SSKM হাসপাতালে চিকিৎসা হোক। অন্যদিকে DJ হুঁশিয়ারি মামলায় রক্ষাকবচের মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িইয়েছিল হাইকোর্ট।
DJ-হুঁশিয়ারি মামলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আপাতত কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও জানিয়েছিল আদালত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রক্ষাকবচের মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভা ভোটের প্রচারে একাধিকবার ডিজে-হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গেছিল অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে। যা নিয়ে সমালোচনার ঝ়ড় ওঠে। ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে FIR হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার কথা বলে বিধাননগর আদালত। দু'বার হাজিরা এড়ালেও, অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের তিরস্কারের মুখে পড়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
সোমবার DJ মামলার তদন্তে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে, কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলে ফের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। প্রাথমিকভাবে ৩০ জুলাই পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ থাকলেও, আরও ১ মাস বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। পাশাপাশি DJ মামলায় তাড়াতাড়ি তদন্ত শেষ করার জন্যে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।






















