Suvendu Adhikari : 'ভোট পরবর্তী হিংসায় যোগ থাকলে সোজা জেলে, না থাকলে...!' বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
West Bengal Assembly : ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়ে উত্তাপ বাড়ল বিধানসভার অধিবেশনে। বাগ্যুদ্ধে জড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা।

কলকাতা : শুক্রবার রাজ্য বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রথীন্দ্র বসু। বিজেপির পরিষদীয় দলের তরফে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের এই বিজেপি বিধায়ক হলেন অধ্যক্ষ। স্পিকার নির্বাচনের পর একে একে তাঁদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। আর সেখানেই ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়ে উত্তাপ বাড়ল বিধানসভার অধিবেশনে। মুখ্যমন্ত্রীর পর বক্তৃতা করতে উঠে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসা চলছে বলে বড় অভিযোগ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বাগ্যুদ্ধে জড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা।
বিধানসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তৃণমূলের বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ''আপনারা বলেছিলেন, ভয় চলে যাবে, ভরসা আসবে। আজকে ভরসা নেই, কিন্তু ভয় চার গুণ বেড়ে গিয়েছে। বহু মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। আজ আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, এবং স্পিকারের মাধ্যমে সবার কাছে অনুরোধ করব, যখন কথা দিয়েছিলেন ভয় নয় ভরসা, আজ সেই ব্যবস্থা করুন। যাতে মানুষ তার নিজের ঘরে ফিরতে পারে।'' ''আজকে যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিভিন্ন পর্যায়ে, SIR থেকে শুরু করে ভোট গণনা পর্যন্ত, যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলে দেওয়া হয়েছে, আমার মনে হচ্ছে যেন এক স্বেচ্ছাচারী শাসকের পদধ্বনি শুনছি।''
আরও পড়ুন - 'এখন থেকে বিধানসভার অধিবেশন হবে লাইভ সম্প্রচার', আর কী কী ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ?
বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ''কেউ ঘরছাড়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই।'' ''ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ নেই, তাঁরা যদি ঘরছাড়া হয়ে থাকেন তবে, পুলিশ নিজে তাঁদের সবাইকে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেবে। কিন্তু ২০১১-র ভোট পরবর্তী হিংসার সঙ্গে যাঁদের যোগ আছে তাঁরা গ্রেফতার হবেন, জেলে যাবেন।''
নওশাদ সিদ্দিকিও বিধানসভায় ‘ভোট-পরবর্তী হিংসার’ প্রসঙ্গ তোলেন ভাষণ দেওয়ার সময়। রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “২০২১ সালে জেতার পর আমার মনে হয়েছিল ৬ মাসে ইস্তফা দিয়ে দিই, তাতে যদি আমরা আমাদের কর্মীদের বাঁচাতে পারি।”
বিরোধী দলনেতাকে উদ্দেশ্য করে তাপস রায় বলেন, 'অতীতে বিজেপি প্রার্থীদের হাড়গোড় ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আজ পোস্ট পোল ভায়োলেন্সের কথা এদের মুখে আসে! নির্লজ্জ, বেহায়া না হলে পোস্ট পোল ভায়োলেন্সের কথা বলে এরা?'' তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি আরও জানান, “আজ বিজেপি কর্মীদের ১৫০-২০০ লাশ গুনতে হত , যদি এরা আবার সরকারে ফিরে আসত।”
Before You Go
TMC News : শুধুই ত্রিপল নয়! প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গোডাউন খুলে এ কী মিলল?























