CM Suvendu Adhikari: "কোনও গুন্ডাগিরি হবে না এখানে..", দুর্নীতি ইস্যুতে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
CM Suvendu On Corruption: দুর্নীতি ইস্যুতে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, শিল্প তৈরিতে জমি নীতি নিয়েও স্পষ্ট করলেন রাজ্য সরকারের অবস্থান

শিবাশিস মৌলিক, সুমন ঘরাই, কলকাতা: গুন্ডাগিরি, সিন্ডিকেটরাজ বরদাস্ত নয়। রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে আরও একবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্প তৈরিতে জমি নীতি নিয়েও স্পষ্ট করলেন রাজ্য সরকারের অবস্থান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিন মাসে আপনারা একটু পরিবেশ বদলের আভাস তো পেয়েছেন, কোনও গুন্ডাগিরি হবে না এখানে।
আরও পড়ুন, সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ১৭৫৭ পাতার চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর দাবি পুলিশের
বদল, বিনিয়োগ, বাণিজ্য বিস্তার। তিন 'ব'-এর এই মডেলকেই এবার মডেল হিসাবে সামনে আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার মিলন মেলা প্রাঙ্গনে টেক্সটাইল এক্সপো থেকে সেই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গুন্ডাগিরি, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানি, চাঁদা আদায়, যেরকম পরিস্থিতি ছিল, সেটা বদলানো দরকার আগে। ব্যবসার উপযোগী পরিবেশ হবে, শিল্পের জন্য উপযুক্ত নীতি হবে, সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম হবে, জমির ব্যবস্থা হবে। দেখতে হবে, ভাবতে হবে, এসব ছেড়ে কাজ করার নীতি হবে। তবেই তো দেশ এগোবে। আমরা আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি, তিন মাসে আপনারা একটু পরিবেশ বদলের আভাস তো পেয়েছেন, কোনও গুন্ডাগিরি হবে না এখানে।বাবল করা আছে
টেক্সটাইল এক্সপোর পর, মিলন মেলা প্রাঙ্গনে এদিন প্রাইভেট রিয়েল এস্টেট ডেভলপারদের সংগঠন CREDAI-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ও। তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ের পর, অডিটের জন্য সমস্ত বহুতলের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। ১৫ অগাস্ট থেকে ফের শুরু হতে চলেছে সেই কাজ। ১৯৩ টি বহুতলে ফের কাজ শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বেনিয়ম ধরা পড়েছে ২৭ টি বহুতলের ক্ষেত্রে। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ৪ তলার পারমিশন নিয়ে ৭ তলা করবেন হতে পারে না। আমাদের মাটির এত চাপ নেওয়ার ক্ষমতা নেই। আর তারাতলা হতে দেব না। যে ২৭ টি বহুতল নির্মাণে বেনিয়ম ধরা পড়েছে, ১৫ অগাস্টের পরও সেই বহুতলগুলি নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, মুখ্যসচিব বলেছেন যে, বিগত সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে শুধু যুদ্ধ করে গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে লড়াই করেছে, বাংলার মানুষ বঞ্চিত হয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি রাজনীতির মধ্যে থাকেন না, তিনি উন্নয়নের মধ্যে থাকেন। ২০০৪ থেকে ১৪, তৎকালীন ভারত সরকারের আমলে ২৫ হাজার টাকা ছিল। স্কিমের নাম ছিল ইন্দিরা আবাস যোজনা। মাত্র ২৫ হাজার টাকা বাড়ি হতো। তাও একটা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাগে তিনটে করে বাড়ি আসত। মানে এত অল্প বরাদ্দ ছিল। এবং চার থেকে চোদ্দ (রাজত্বকাল) পশ্চিমবঙ্গ কত টাকা পেয়েছে, ৪ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা। ..আবাসের নামে চুরি হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, লুঠ হয়েছে।






















