Deshapriya Park: মহাষ্টমীর রাতে দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ ছিল দেশপ্রিয় পার্কের পুজো! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ ক্লাবের
দর্শনার্থীদের রুট বদলের চেষ্টা করায় আপত্তি ক্লাব কর্তৃপক্ষের। এরপরেই মণ্ডপের আলো নিভিয়ে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা: চতুর্থীর পরে অষ্টমী, ফের বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেশপ্রিয় পার্কের পুজো! ফের বিতর্কে দেশপ্রিয় পার্কের পুজো, মণ্ডপের আলো বন্ধ ছিল বেশ কিছুক্ষণ। দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দেশপ্রিয় পার্কের পুজো।
সূত্রের খবর, পুলিশ-ক্লাবের সংঘাতের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। এরপর অষ্টমীর রাতে নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল মণ্ডপের আলো। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, 'নিয়ম ভেঙে ৮০ ফুটের মণ্ডপ, আলোর ব্যবহার'। দেশপ্রিয় পার্কের পাশেই ত্রিধারা সম্মিলনীর পুজো। দর্শনার্থীদের রুট বদলের চেষ্টা করায় আপত্তি ক্লাব কর্তৃপক্ষের। এরপরেই মণ্ডপের আলো নিভিয়ে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যদিও ১৫ মিনিট বন্ধ রাখার পর ফের দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হল মণ্ডপ।
এবছর ৮৮ বছরে পড়েছে দেশপ্রিয় পার্কের পুজো। পুলিশের সঙ্গে এর আগেও এই পুজো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। পুজো কর্মকর্তাদের তরফে বলা হয়েছে, 'পুলিশ বলেছিল আমরা না কি ভিড় ম্যানেজ করতে পারছি না। এর আগেও মণ্ডপ খোলার দিনেই সমস্যা হয়েছিল। সেই সময় বন্ধ রাখতে হয়েছিল। এরকম ট্রাফিকের ব্যবস্থা গত কয়েকবছরে দেখিনি। এত খারাপ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট। তেমন হলে বন্ধ করে দিক পুজো। দুর্ঘটনা হলে পুলিশ ছেড়ে দিত? আমরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই সবটা করেছি। এরপরও সিকিউরিটি কন্ট্রোলের নামে এসে বলছে আমাদের পুজো করার না কি ক্ষমতা নেই।'
মণ্ডপ বন্ধ হয়েছিল মহম্মদ আলি পার্কেও
এর আগে পঞ্চমীর রাতে, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে, মণ্ডপ বন্ধ করে দিয়েছিল মহম্মদ আলি পার্কের পুজো উদ্য়োক্তারা। তাঁদের অভিযোগ, অন্য় বছরে দর্শনার্থীরা যে রুট ধরে তাঁদের পুজো মণ্ডপে আসেন, এবার সেই রুট ঘুরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। ফলে মহম্মদ আলি পার্কের মণ্ডপে সেভাবে লোক হচ্ছে না। তারা চলে যাচ্ছে অন্য় পুজো মণ্ডপে। এই অভিযোগ তুলে শনিবার রাতে গোটা মণ্ডপে আলো নিভিয়ে দেন উদ্য়োক্তারা। দর্শনার্থীদের জন্য় পুজো মণ্ডপ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
যদিও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার দাবি, দর্শনার্থীদের জন্য কোনও রাস্তা ঘুরিয়ে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, আমরা তো কলেজ স্কোয়ার-এমজি রোড পর্যন্ত আসতে দিচ্ছি। এরপরে কেউ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ হয়ে মহম্মদ আলি পার্ক যেতেই পারে। পুলিশ জোর করে কাউকে কোথাও যেতে বলতে পারে না। মহম্মদ আলি পার্কের পুজো নিয়ে বিতর্কে দাবি পুলিশ কমিশনারের।
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের প্যান্ডেল নিয়েও ছিল বিতর্ক
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো ঘিরে বেনজির সংঘাত বেধেছিল। পুজো বন্ধে পুলিশি চক্রান্তের অভিযোগ তুলছিলেন, বিজেপি নেতা ও পুজোর উদ্য়োক্তা সজল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, পুজোর যে থিম, অপারেশন সিঁদুর, তা নিয়ে শো চালাতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। যদিও এই অভিযোগ মানতে চাননি কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাঁর বক্তব্য, মানুষের নিরাপত্তার জন্য যা যা করণীয়, পুলিশ তাই করছে।






















