Yuvasathi Scheme: যুবসাথী প্রকল্পের SMS পেয়েও টাকা ঢোকেনি? ঠিক কী করতে হবে এবার জানুন
আপনি যে মেসেজটি পেয়েছেন, সেটি মূলত একটি 'প্রাপ্তি স্বীকার' (Acknowledgement)। এর অর্থ হলো আপনার আবেদনটি সফলভাবে সরকারি পোর্টালে জমা পড়েছে

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য রাজ্য সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হলো 'যুবসাথী'। সম্প্রতি অনেক আবেদনকারী তাদের মোবাইলে বা হোয়াটসঅ্যাপে এই প্রকল্প সংক্রান্ত মেসেজ পেয়েছেন, কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি। কেন এমন হচ্ছে? জেনে নিন বিস্তারিত।
আপনি যে মেসেজটি পেয়েছেন, সেটি মূলত একটি 'প্রাপ্তি স্বীকার' (Acknowledgement)। এর অর্থ হলো আপনার আবেদনটি সফলভাবে সরকারি পোর্টালে জমা পড়েছে। এই মেসেজ পাওয়া মানেই টাকা পাওয়ার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা নয়। টাকা ঢোকার আগে ব্যাংক থেকে আলাদা কনফার্মেশন মেসেজ আসে।
বর্তমানে প্রচুর ভুয়ো আবেদন জমা পড়ায় সরকার ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোর করেছে। আপনার দেওয়া নথিপত্রগুলি (Documents) যাচাই করার পর যদি সব ঠিক থাকে, তবেই আপনার নাম ট্রেজারিতে পাঠানো হয়। সেখানে ব্যাঙ্ক ডিটেইলস ও আধার তথ্য মেলার পরেই পেমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়।
কেন আপনার টাকা আটকে যেতে পারে? মেসেজ পাওয়ার পরেও নিচের কারণগুলোতে আপনার টাকা না-ও আসতে পারে:
বয়সের সীমাবদ্ধতা: আবেদনকারীর বয়স ২১ বছরের নিচে হলে আবেদন সরাসরি বাতিল হয়ে যায়।
নথিতে ভুল: যদি আপনার আপলোড করা নথির সাথে দেওয়া তথ্যের কোনো অমিল থাকে।
ব্যাঙ্ক ডিটেইলসে ত্রুটি: ট্রেজারিতে ডাটা এন্ট্রির সময় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা আইএফএসসি (IFSC) কোডে সামান্য ভুল থাকলেও 'Payment Failed' হতে পারে।
যারা সরাসরি অনলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে সুবিধা অনেক বেশি। কারণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রার্থীরা নিজেরাই তথ্য দেন, ফলে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার বা ডিবিটি (DBT) খুব সহজেই করা যায় এবং ভুলের মাত্রা কম থাকে। অন্যদিকে, অফলাইন ফর্মে ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রির প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, সরকারি আধিকারিকদের আপনার দেওয়া তথ্যগুলি সিস্টেমে নতুন করে টাইপ করতে হয়। এই ম্যানুয়াল কাজের কারণে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, যার জেরে অনেক সময় অফলাইন আবেদনকারীদের টাকা পেতে অহেতুক দেরি হয় বা পেমেন্ট আটকে যায়।
অফলাইন আবেদনের সমস্যা: যারা অফলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের তথ্য ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হয়। সেখানে টাইপিং ভুলের সম্ভাবনা বেশি থাকায় টাকা পেতে দেরি হতে পারে।
ফর্ম জমা দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ আপনার দাখিল করা নথিপত্রগুলি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই করবে। এই বছর প্রচুর ভুয়ো আবেদন জমা পড়ায় ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বেশ কড়াকড়িভাবে চলছে। নথিপত্র সঠিক প্রমাণিত হলে যোগ্য প্রার্থীদের একটি তালিকা সরাসরি ট্রেজারিতে পাঠানো হয়। সেখানে অফিসাররা আপনার ব্যাংক ডিটেইলস ও আধার তথ্য মিলিয়ে পেমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করেন। এরপর আপনার মোবাইলে একটি ‘ক্লেম’ (Claim) মেসেজ আসবে। এই মেসেজটি পাওয়ার মোটামুটি দু’দিনের মাথায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়ে যায়।
























