Digha News : রাহুলের মৃত্যুর পর ফের ভয়ঙ্কর ঘটনা দিঘায় ! তলিয়ে যেতে যেতে রক্ষা দাদু-নাতনির
বুধবার দিঘা বেড়াতে আসা দাদু নাতনিকে উদ্ধার করলেন স্থানীয় নুলিয়ারাই।

ঋত্বিক প্রধান, দিঘা : শুটিং করতে গিয়ে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলে ডুবে মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ অনুগামীরা। সেই আকস্মিকতা, ভয়ঙ্করতা থেকে এখনও বেরোতে পারেনি মানুষ। এরই মধ্যে অনুরূপ অঘটন ঘটতে যাচ্ছিল দিঘায়। তবে বরাত জোরে রক্ষা পেলেন বেড়াতে আসে দাদু ও নাতনি।
রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা থেকে নুলিয়া , সকলেই দাবি করেছেন, হঠাৎ করে জল বেড়ে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা। রাহুলের মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। কেন অভিনেতাকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করা গেল না, কেন তাঁকে জলে খাবি খেয়ে মরতে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু বুধবার দিঘা বেড়াতে আসা দাদু নাতনিকে উদ্ধার করলেন স্থানীয় নুলিয়ারাই।
আরও পড়ুন : মিলছে না নুলিয়ার কথা ! বালি-নোনা জলে বদ্ধ ফুসফুস, বহুক্ষণ নাকানিচোবানি রাহুলের
সূত্রের খবর, বেলঘরিয়া থেকে পরিবারের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে এসেছিলেন দাদু ও নাতনি। বুধবারই তাঁরা দিঘায় এসে পৌঁছান। সকাল দশটা নাগাদ নামেন স্নান করতে। আচমকা একটি ঢেউয়ের ধাক্কায় তলিয়ে যান দাদু ও নাতনি। সমুদ্র ছিল উত্তাল। আরেকটু হলেই ঘটে যেত ভয়ঙ্কর বিপদ! কিন্তু বিষয়টি নজরে আসে নুলিয়াদের। তৎক্ষণাৎ তাঁরা উদ্ধার কাজে হাত লাগান। দুই জনকে উদ্ধার করে দিঘার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
অন্যদিকে এখনও অভিনেতা রাহুলের অকালমৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। কারও কি গাফিলতি ছিল? পর্যান্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা কেন করা হয়নি, এই প্রশ্ন নিয়ে যখন উত্তাল হচ্ছে টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া। যে প্রোডাকশন হাউসের সিরিয়ালের শ্যুটিং করতে গেছিলেন রাহুল, তার অন্যতম কর্ণধার লীনা গঙ্গোপাধ্যায় কার্যত দায় এড়িয়ে বলছেন, অভিনেতারা অনেক সময় পারফেক্টশনিস্ট হন। রাহুলই নাকি ড্রোন শট চেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি, লীনা গঙ্গোপাধ্যায় আরও দাবি করেছেন যে, পুরো ঘটনাটা ৫ মিনিটে হয়েছে। আর হাঁটু জলে হয়েছে। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট তো সেই কথা বলছে না। বরং উল্টো কথাই বলছে। সূত্রের খবর, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী দীর্ঘক্ষণ জলে ডুবে ছিলেন অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই অভিনেতার ফুসফুসের ভিতর অস্বাভাবিক পরিমাণে ঢুকে গেছিল বালি ও নোনা জল। পাকস্থলী, খাদ্য়নালি, শ্বাসনালিতে প্রচুর পরিমাণে বালি ছিল। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, পাঁচ মিনিটে কি এতকিছু হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর আদৌ মিলবে কি না জানা নেই, তবে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয়রা একটু বেশি সতর্ক হলে বুধবারের সকালের মতো আরও অনেক বিপদ এড়ানো যায়।
























