Dilip Ghosh: মাইনে বন্ধ, দিশেহারা পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা, আশ্বাস দিলেন দিলীপ ঘোষ
Newtown News: বুধবার সকালে নিউ টাউন ইকোপার্কে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীরা।

রঞ্জিত সাউ, নিউটাউন: মাসিক বেতনের দাবি নিয়ে পঞ্চায়েত দফতরের কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীরা দেখা করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের সঙ্গে। নিউ টাউন ইকোপার্কে বিভিন্ন জেলা থেকে পঞ্চায়েত দফতরের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা আসেন।
বুধবার সকালে নিউ টাউন ইকোপার্কে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীরা। তাঁদের দাবি, মাসিক বেতন দেওয়া হয় না। কিন্তু পঞ্চায়েতের ডাটা এন্ট্রি, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা সহ ডাটা এন্ট্রির সমস্ত কাজ করে আসছি। কিন্তু নূন্যতম ছায়াটি দেয়া হয় না। রীতিমত পঞ্চায়েত দফতরের পরীক্ষা দিয়ে ট্রেনিং করে চাকরি পেয়েছি। দিলীপ ঘোষ বলেন, 'প্রায় ৫৭হাজার কর্মচারী আছে পঞ্চায়েতে। যারা বিভিন্ন প্রজেক্ট এ নেওয়া হয়েছে। নেতাদের দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের। যার কোনও ভবিষ্যত নাই। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ভাবে ঢোকানো হয়েছে এঁদের। প্রজেক্ট শেষ তাঁরা এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাঁদেরকে দেখার কেউ নাই। আমরা চেষ্টা করছি। ওদের ব্যাপারটা ভাবছি। একটা স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা। বহু লোক অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পঞ্চায়েত দফতরে এরকম অব্যবস্থা হয়েছে। ওদেরকে অফিসে কাগজ নিয়ে ডেকেছি।'
রাজ্যে সরকারের পালা বদলের পর একাধিক তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতে কাজকর্ম থমকে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে। কোথাও পঞ্চায়েত প্রধান অফিসে আসছেন না, কোথাও আবার প্রধান ও উপপ্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। এর জেরে সরকারি প্রকল্পের কাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শংসাপত্র প্রদান ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত প্রধানদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। পঞ্চায়েত মন্ত্রীর দাবি, রাজ্যের প্রায় ২ হাজার পঞ্চায়েত প্রধান নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছেন অথবা অফিসে আসছেন না। এর ফলে সরকারি কাজ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষও প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, “প্রায় ২ হাজার প্রধান নিষ্ক্রিয় বা পালিয়ে গেছেন বা অফিসে আসছেন না। ফলে যেমন সরকারি কাজের, প্রজেক্টের অসুবিধা হচ্ছে। সেরকম সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সার্টিফিকেট যা পান, সেটাও পাচ্ছেন না। পেমেন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দরকার হলে পুলিশ পাঠাব বাড়িতে তুলে নিয়ে আসতে। আর নাহলে সাধারণ মানুষকে দিয়ে বাড়ি ঘেরাও করব, ডিমের জায়গায় ইট মারা হবে। ভালোয় ভালোয় চলে আসুন।” হয় পঞ্চায়েতে পরিষেবা দিন, নয়তো পদত্যাগ করুন, স্পষ্ট বার্তা দিলীপ ঘোষের।























