Chandranath Rath Murder : চন্দ্রনাথ রথ খুনে সিবিআই চার্জশিটে দুই বিজেপি কর্মীর নাম, দিলীপ বললেন 'সবথেকে খারাপ লোকেরা...'
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নাম রয়েছে ২০২০ সালে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়া দুজনের। অভিযোগ, তাঁরাই নাকি তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

রঞ্জিত সাউ, কলকাতা : মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের হত্যা মামলার তদন্তে এসেছে চাঞ্চল্যকর মোড়। এই মামলার তদন্ত সিবিআই-এর হাতে পৌঁছতেই একাধিক গ্রেফতারি হতে থাকে। এই খুনের পিছনে নাম উঠে এসেছে দুই বিজেপি কর্মীরও। সাগর সোনকর এবং সাহেব সোনকরও নামে বিজেপি কর্মী দুই ভাই গ্রেফতারও হয়েছেন। আর পিটিআই সূত্রে খবর, এই খুনের মামলায় বৃহস্পতিবার চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। তাতে নাম রয়েছে ২০২০ সালে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়া দুজনের নাম। অভিযোগ, তাঁরাই নাকি তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ভাড়াটে খুনি দিয়ে প্রাণে মেরেছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে, তিনি স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, আইনের চোখে সবদলই সমান।
ঠিক কী বলেছেন দিলীপ ?
শুক্রবার দিলীপ ঘোষকে চন্দ্রনাথ রথ খুনে সিবিআই চার্জশিটে দুই বিজেপি কর্মীর নাম থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাতে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, ' বিজেপিতে সব লোক গঙ্গাজলে ধোয়া এরকম আমি বলব না। সব থেকে খারাপ লোকেরা রাজনীতিতে আগে আসে। কেউ দোষী হলে সে কোন পার্টি করে সেটা সেকেন্ডারি। পার্টির শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিক কাজ , আর্থিক দুর্নীতি - যদি বিজেপির কারওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে, পার্টি ব্যবস্থা নেবে।
সূত্রের খবর, মোট ১১ জনের নাম রয়েছে সিবিআইয়ের দেওয়া চার্জশিটে । তাতে রয়েছে বিজেপি কর্মী দুই ভাই সাগর সোনকর ও সাহেব সোনকরের নাম। তদন্তকারী সংস্থা দেখছে এই খুন করানোর পিছনে অন্য কোনও দলের কোনও নেতার নির্দেশ ছিল কি না। সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকেই নাকি শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে খুনের পরিকল্পনা চলছিল। ২০২৬ সালে ভোটের ফল বেরনোর দুই দিন পরই ৬ মে চন্দ্রনাথকে হত্যা করা হয়।
মুখ্য়মন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের ঠিক ৩ দিন আগে, গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ৫০ সেকেন্ডের নিখুঁত অপারেশন চালিয়ে, দু'টো বাইকে চড়ে আলাদা আলাদা রাস্তায় পালায় দুষ্কৃতীরা। কেন খুন করা হল চন্দ্রনাথ রথকে? কারা খুন করাল? কারা সুপারি কিলারকে কাজে লাগাল? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে বের করতে রাজ্য পুলিশ, সিআইডির পর সিবিআই দায়িত্ব নেয়। এখন যাদের নাম চার্জশিটে রয়েছে, তারাই যদি চন্দ্র-হত্যার পিছনে মাস্টার মাইন্ড হয়ে থাকে, তাহলে খুনের মোটিভ কী ছিল, তা জানার অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুন : ১০ লক্ষেরও বেশি পরিবারের অ্যাকাউন্টে রাজ্য সরকারের এই টাকা, ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত.....কী জানালেন দিলীপ ঘোষ?
Before You Go
Jadavpur University : যাদবপুরের তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান শুভশঙ্কর সরকারের






















