ED Raid in Kolkata: জয় কামদারের বাড়িতে ইডি হানা, আগেই উদ্ধার হয়েছিল ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা!
Enforcement Directorate: এই প্রথম নয়। এর আগেও ইডি রেড করেছিল জয় কামদারের বাড়িতে। সেবার সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্তও করে তারা। সংযোগ সেই সোনা পাপ্পু।

কলকাতা: তখন সবে ফুটেছে ভোরের আলো। সকাল ৬টাও বাজেনি। আর সেই সময় সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় এস কামদারের বেহালার বাড়িতে হানা ইডির। জ্যোতিষ রায় রোডে ইডির ৫টি গাড়ি এসে পৌঁছায়। এবর মধ্যে ৩টে গাড়িতে ছিলেন ইডির আধিকারিকরা। আর বাকি ২টো গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহ্যইনীর জওয়ানরা। তবে এই ঠিকানায় পৌঁছেও প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় ইডির আধিকারিকদের।
আরও পড়ুন: কোন কারণে ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে হানা কেন্দ্রীয় এজেন্সির?
জানা গিয়েছে, অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করলেও বাড়ির দরজা খুলছিলেন না সেখানের নিরপত্তরক্ষীরা। এমনকি বাড়ির মধ্যে একটা কুকুর ছাড়া অবস্থায় ছিল। আর সেই কারণেই ইডির আধিকারিকরা অনেকক্ষণ অপেক্ষাও করছিলেন। তারপর দরজা খোলা হলে ইডির তদন্তের জায়গায় পৌঁছে যান। আর সেখানে গিয়েই জয় কামদারকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত করতে চাইছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
যদিও এই প্রথম নয়। এর আগেও ইডি রেড করেছিল জয় কামদারের বাড়িতে। সেবার সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্তও করে তারা। সংযোগ সেই সোনা পাপ্পু। কারণ, সোনা পাপ্পুর মামলা ধরেই ফের জয় কামদারের বাড়িতে হানা দিল ইডি।
সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে প্রোমোটিং নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আবার জয় কামদারও সেই প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তবে তাঁর বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এমনকি ওই ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধারের পর একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। যদিও পরবর্তীকালে তাঁকে আবার ডেকে পাঠানো হলেও তিনি হাজিরা দেননি। আর সেই সব মিলিয়েই আজ সকল সকালে তাঁর বাড়িতেই চলে আসেন ইডি আধিকারিকরা।
ইতিমধ্যেই জয় কামদারের বাড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাঁকে আটক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, ওই ব্যক্তির সঙ্গে প্রভাবশালী যোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, বালিগঞ্জে ফার্ন রোডে ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের ফ্ল্যাটেও ইডির হানা। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে সকাল সকাল পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৪টে নাগাদ CGO কমপ্লেক্স থেকে রওনা দেয় ED-র টিম। ইডির সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। শান্তনু সিনহা বিশ্বাস এক সময় কালীঘাট থানার অফিসার ইন চার্জ বা ওসি ছিলেন। বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার তিনি।






















