R G Kar Scam Case : আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট ED-র, সন্দীপ ঘোষ-সহ আর কাদের নাম ?
Sandip Ghosh : সন্দীপ ঘোষ-সহ চার্জশিটে নাম থাকা ৩ জনই দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন ৩ জনই।

কলকাতা : আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে সন্দীপ ঘোষের নাম। চার্জশিটে নাম রয়েছে সন্দীপ ঘোষের সহযোগী বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরারও। বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরা হাসপাতালে সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থার মালিক। ED-র চার্জশিটে নাম রয়েছে হাজরা মেডিক্যাল স্টোরেরও। আর জি কর মেডিক্যালে দুর্নীতি মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দিল ED। ব্যাঙ্কশাল আদালতে ED-র স্পেশাল কোর্টে চার্জশিট জমা পড়েছে। সন্দীপ ঘোষ-সহ চার্জশিটে নাম থাকা ৩ জনই দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন ৩ জনই।
২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় গোটা দেশে। জরুরি বিভাগের চার তলার সেমিনার হল থেকে দেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরই আর জি কর হাসপাতালের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। আর জি কর মেডিক্য়ালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হাসপাতালেরই প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সেই মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। গত বছর ECIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করে ED।
আর জি করে দুর্নীতি মামলার বিচার-প্রক্রিয়া চলেছে। এর আগে সিবিআইয়ের তরফে আর জি করের প্রাক্তন অ্যাকাউন্টস অফিসার সমর দত্তকে কোর্টে তোলা হয়েছিল গত বছর নভেম্বর মাসে। সেই সময় তিনি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে বিচারককে জানিয়েছিলেন, তিনি অ্যাকাউন্টস অফিসার ছিলেন। পাশাপাশি তিনি, পারচেজিং কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০২১ সালে সন্দীপ ঘোষ অধ্যক্ষ হিসাবে আর জি করে যোগ দেন। তার আগে পর্যন্ত নিয়ম মেনেই সমস্ত টেন্ডার বরাত করা হত। সমস্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হত। অর্থাৎ, পারচেজিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক করা হত। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। বুকস অফ রেকর্ডস মেইন্টেন করা হত। কিন্তু, প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ জয়েন করার পর এই সমস্ত নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। সন্দীপ ঘোষই ঠিক করতেন কীভাবে কাকে টেন্ডার দেওয়া হবে। আরও চাঞ্চল্যকর দাবি তিনি করেন। তিনি লিখিতভাবে একাধিক টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আপত্তি জানিয়েছিলেন। যে সংস্থাকে বরাত দেওয়া হচ্ছে তার লাইসেন্স এক্সপায়ার হয়ে গেছে। একাধিকবার তিনি জানিয়েছেন। তা সত্ত্বেও সেই সংস্থাকেই টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এই বিষয় নিয়ে তিনি লিখিতভাবে সন্দীপ ঘোষের কাছে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এটা বেআইনি। তখন সন্দীপ ঘোষ তাঁকে বলেছিলেন, পুরো ব্যাপারটায় মুখ বন্ধ করে রাখুন। যেটা হচ্ছে হতে দিন।























