Fake Document Case: নুরুল হক এখন নারায়ণ অধিকারী ! নাম ভাঁড়িয়ে, পরিচয় গোপন করে বহাল তবিয়তে বাংলার মাটিতে বাস বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর
Fake Documents: সীমান্ত দিয়ে বেআইনি ভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ এবং তারপর অনুপ্রবেশকারীরা এদেশেরই নাগরিক হয়ে বসবাস শুরু করছেন, সেটাও দীর্ঘদিন ধরে।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : বাংলাদেশের নুরুল হক ভারতে এসে হয়ে গেছেন নারায়ণ অধিকারী। ভুয়ো নথি দিয়ে তাঁর জন্য বানানো হয়েছিল ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড। ভারতে এসে নাম ভাঁড়িয়ে বহু বছর ধরে দত্তপুকুরের কাজিপাড়ায় বসবাস করছিলেন বাংলাদেশের নুরুল হক। অন্যদিকে দত্তপুকুর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন আরেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী রফিকুল ইসলাম। ভুয়ো নথি দিয়ে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড বানিয়ে থাকছিলেন রফিকুল। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের মাদারিহাটে।
এই রফিকুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন নুরুল হক ওরফে নারায়ণ অধিকারী। কীভাবে তাঁদের জন্য জাল নথি তৈরি করা হয়েছিল, কারা এই কাজে সাহায্য করেছিলেন, সেইসব জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃত ২ অনুপ্রবেশকারীকে। জানা গিয়েছে, সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে বসবাস করছিল নুরুল হক। আজ দুই ধৃতকে বারাসাত আদালতে পেশ করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে বেআইনি ভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ এবং তারপর অনুপ্রবেশকারীরা এদেশেরই নাগরিক হয়ে বসবাস শুরু করছেন, সেটাও দীর্ঘদিন ধরে। এতদিন ধরে কেউ কিছুই টের পায়নি? উঠছে প্রশ্ন। সেই সঙ্গে প্রশ্নের মুখে রাজ্যের এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। দত্তপুকুর থানা এলাকা থেকেই রফিকুল ইসলাম এবং নুরুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর কোনও অনুপ্রবেশকারী এই এলাকায় নাম ভাঁড়িয়ে, পরিচয় গোপন করে বসবাস করছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
বারাসাতের নবপল্লী থেকে জাল নথি চক্রের অন্যতম মূল পাণ্ডা সমীর দাসকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার জানা গিয়েছে, কীভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য দ্রুত নথি তৈরি করা হতো। প্রথমে একটি ভোটার কার্ড নিয়ে সেখানে আসল ছবির জায়গায় বসানো হতো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর ছবি। এই ভুয়ো ভোটার কার্ড দেখিয়ে তৈরি হতো আসল আধার কার্ড। তারপর আবার ওই আসল আধার কার্ডের সাহায্যে তৈরি করা হতো সঠিক ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড এমনকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও। অর্থাৎ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পাকাপাকি ভাবে ভারতের বাসিন্দা তৈরি করে দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হতো। সমীর দাসের পাশাপাশি তাঁর দুই সহযোগী কৌশিক মণ্ডল এবং চন্দন চক্রবর্তীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরও এক পলাতক সঙ্গীর খোঁজ চলছে। সমীর দাস গ্রেফতার হওয়ার দিন থেকেই পলাতক রয়েছেন এই ব্যক্তি।
আরও পড়ুন- ভুয়ো ভোটার কার্ড দিয়ে আসল আধার ! মুদিখানার আড়ালে সমীর দাসের জাল নথির কারবারের রমরমা
Before You Go
Abhishek Banerjee: TMC-র বিল বোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুুমার, রুজু FIR





















