Rejinagar ByElection : নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর, মমতা সর্বভারতীয় TMC প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা
নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিনে ভোটের ময়দান থেকে নাম প্রত্যাহার রবিউল আলম চৌধুরীর।

রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ: নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর, প্রার্থী নিয়ে পর পর দু'দিনে জোড়া ধাক্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । মমতা সর্বভারতীয় TMC প্রার্থী নিজের প্রার্থী পদ তুলে নিলেন। শনিবার সকালেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন রবিউল আলম চৌধুরী। অর্থাৎ আগামী উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রার্থীই লড়ছেন না। যদিও শুক্রবার নন্দীগ্রামের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করবেন।
কিন্তু কেন এমন করে মনোনয়ন প্রত্যাহার? কেন লড়াই থেকে পিছু হঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী ? রবিউল জানালেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন প্রতীক চিহ্ন চেনানো , তা দিয়ে দেওয়াল লিখন ও কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব নয়। তাই তিনি প্রত্যাহার করলেন মনোনয়ন। তিনি জানান, এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। তাঁকে জানিয়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রবিউল। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের প্রচারে নামানো যাচ্ছিল না। তাঁদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছিল। যদিও রেজিনগরে আগে থেকেই জল্পনা ছিল, রবিউল আলম মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন। তাঁকে গত কয়েকদিন কোনও কর্মসূচিতেও দেখা যায়নি। রবিউলের সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি মমতা অনুগামী তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার আগে থেকেই তৃণমূলের অপর পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই চলছিলেন।
প্রসঙ্গত শনিবারই উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর এদিনই মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। অর্থাৎ দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কোথাও থাকছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। শনিবারই নন্দীগ্রামের মমতা সর্বভারতীয় TMC প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
এ বিষয়ে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'কথা বলে দেখব। নতুন প্রতীক চেনানো একটা সমস্যা তো বটেই...তবে মানুষকে একটু বোঝাতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সবকিছুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রিক।'
রবিউল আলম চৌধুরীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার মন্তব্য করেন, ' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টির এখন এক্সপায়ারি ডেট পার হয়ে গেছে । আর বেশিদিন টিকবে না । এটা মেনে নেয়াই ভালো । এই ধরনের ব্যক্তি নির্ভর দলের ক্ষেত্রে তাই হয় । উনি আগে, নিজেরা এরকম করতেন । তৃণমূল যখন ক্ষমতায় ছিল আমি তো রাজ্যসভা সভাপতি ( বিজেপি ) হিসেবে একটা বিরাট সময় কাটিয়েছি । সেই সময়টা যে সময় ওনাদের এই ধমকানো চমকানো সবথেকে বেশি ফেস করতে হয়েছিল।... এখন ভাবছেন যে আমরা ওরকম করব। আমরা ওরকম করি না। আমরা তো তৃণমূল পার্টি অফিস সব ভেঙে দিতে পারতাম। যেরকম উনি করেছেন । লজ্জার বিষয় ... গত ইলেকশনে আমি গেছিলাম.. মুখ্যমন্ত্রীর কনস্টিটুয়েন্সিতে বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল একুশের নির্বাচনের পর ।'
আপাতত পরিস্থিতি যা, রবিউল আলম মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে, উপ নির্বাচনের কোথাও নেই থাকবেন না মমতা প্রার্থীরা। একের পর এক ধাক্কায় বেসামাল হয়ে গিয়েছে কালীঘাট।
Before You Go
Suvendu Adhikari : মহিলা সুরক্ষা নিয়ে পুলিশকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী | ABP






















