Falta Repoll: আজ ফলতায় 'আবার ভোট', লড়ছেন না জাহাঙ্গির, বহাল কড়া নিরাপত্তা, মোতায়েন ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
Falta Fresh Election: বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

কলকাতা : আজ ফলতায় নির্বাচন। গত ২৯ এপ্রিল একবার ভোট হয়েছিল এই বিধানসভা কেন্দ্রে। তবে কারচুপির প্রচুর অভিযোগ আসায় সেই ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। আজ ফের নতুন করে ভোট হতে চলেছে এই কেন্দ্রে। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ফলতার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ইভিএম মেশিনের উপর কালি লাগানো, টেপ লাগানো, আতর লাগানো-সহ একাধিক অভিযোগ এসেছিল। আর তার জেরেই ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই সংবাদ শিরোনামে ফলতা কেন্দ্র। আগেরবার ভোটের সময় এখানে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন জাহাঙ্গির খান। সেই সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার স্পেশ্যাল পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন আইপিএস অজয় পাল শর্মা। তিনি সাবধান করে দিয়েছিলেন জাহাঙ্গিরকে। সাফ জানিয়েছিলেন, অনিয়ম দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তখন অবশ্য পাল্টা এই জাহাঙ্গিরও বলেছিলেন, 'পুষ্পা ঝুঁকেগা নেহি'।
তবে ৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পর ছবিটা পুরো বদলে গিয়েছে। ২১ মে ফলতায় নতুন করে নির্বাচন হওয়ার মাত্র ২ দিন আগে জাহাঙ্গির বলেন, তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এমনিতেও ৪ মে ভোটের ফল দেখার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আগের শাসক দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তৃণমূলের অঞ্চরেও দলীয় নেতৃত্ব বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছেন দলের বর্ষীয়ান অনেকেই। আর এবার ফলতার নির্বাচন থেকে জাহাঙ্গির সরে দাঁড়ানোর পর সেখানকার বাসিন্দারাও এতদিন তাঁদের উপর জাহাঙ্গির যে ত্রাস চালিয়েছে তা নিয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ জানিয়েছেন।
এর পাশাপাশি জাহাঙ্গিরের এভাবে নির্বাচনের মুখেই ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর পরেও তৃণমূল কেন তাঁকে বহিষ্কার করেনি তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরেই প্রশ্ন তুলেছেন বিধায়কদের একাংশ। উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'কেন এখনও জাহাঙ্গিরকে দল বহিষ্কার করেনি, কোথায় সমস্যা, তা বোঝা যাচ্ছে না।' তিনি আরও বলেন, 'জাহাঙ্গির প্রিভিলেজড। তাঁর হাবভাব দেখে মনে হতো কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।' এখানেই শেষ নয়। ঋতব্রত আরও বলেন, 'প্রিভিলেজড একজন লোক এত বড় একটা কাণ্ড এমন সময় ঘটাল যখন পার্টির অন্য কোনও প্রার্থী দেওয়ার আর পরিস্থিতি নেই... বহিষ্কার করা প্রয়োজন ছিল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এক্ষেত্রেও কি জাহাঙ্গির প্রিভিলেজড?'
























