Firhad Hakim: মেয়রের ওয়ার্ডেই ঝড়ে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু, তাও দেখা মিলল না ফিরহাদের, ছুটলেন অগ্নিমিত্রা
Kolkata Weather Death: কলকাতায় আজকের প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে মোট সাত জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতা: মেয়রের ওয়ার্ডেই ঝড়ে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু (Kolkata Weather Death), কোথায় ববি? ঝড়ের সময় পরিত্যক্ত বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে চেতলায় প্রবীণ কুমার ঠাকুরের মৃত্যু হয়। এটি কলকাতা পুরসভার ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মেয়ক ফিরহাদ হাকিম স্বয়ং। তবে বাড়ির ৩০০ মিটার দূরেই সেই মৃত ব্যক্তির বাড়ি হলেও এদিন দেখা মিলল না মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim)। অবশ্য খবর পেয়েই মৃতের বাড়িতে গেলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)।
বাবু লাল নামক এক প্রতিবেশী জানান ঝড়ের সময় আম তুলতে গিয়েই মৃত্যু প্রবীণ কুমারের। তিনি জানান, 'ওঁ অটোতেই বসেছিল। সেই অটোর পাশেই একটা আম গাছ ছিল। ঝড়ে গাছ থেকে আম পড়ছিল। সেই দেখে ওঁ যখন আম তুলতে যান, সেই জায়গার পাশেই একটি পরিত্যক্ত বাড়ির একটা দেওয়াল ভেঙে পড়ে ওঁর উপর। ঘটনাস্থলেই ওঁর মৃত্যু হয়। আমরা ওঁকে এসএসকেএমে নিয়ে গিয়েছিলাম বটে, তবে আগেই মারা গিয়েছিলেন তিনি।'
পেশায় অটোচালক প্রবীণ একাই পরিবারের হয়ে উপার্জন করতেন। তাঁর পরিবারের সাহায্যের জন্য কী করা যায়, সেই বিষয়টা দেখবেন বলে আশ্বাস দেন অগ্নিমিত্রা পাল। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুর ও নগরোয়ন্ন মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, 'মাননীয় মুখ্য়মন্ত্রী তো চার লক্ষ টাকা ঘোষণা করেইছেন, তবে তা ছাড়াও আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব যাতে এই পরিবারের জন্য কিছু করা যায়। এই পরিবারের তো আর কেউ নেই। এ বাড়িতে ওঁ একাই উপার্জন করত। স্ত্রী রয়েছে, ওঁর একটা ক্লাস টুয়ে পড়া মেয়ে রয়েছে। আগামীদিনে তো বাঁচতে হবে। কীভাবে কী করা যায়, আমরা কথা বলে দেখছি।' তবে ঘটনাস্থলে ফিরহাদ হাকিমের আসা উচিত ছিল কি না, সেই বিষয়ে কোনওরকম মন্তব্য করতে চাননি অগ্নিমিত্রা পাল।
মৃতের ভাইপো জানান এখনও পর্যন্ত মেয়র ফিরহাদ হাকিমের তরফে কোনওরকম যোগাযোগই করা হয়নি। তিনি বলেন, 'মেয়রের সঙ্গে এখনও কোনও ধরনের কথাবার্তা বা যোগাযোগ হয়নি। আশেপাশের লোক এই এখনই এসেছে। প্রথম ম্যাডামই ছুটে এসেছেন।' স্থানীয় এক ব্যক্তি রথিকান্ত বেহুরিয়ার দাবি, 'ভোটের জন্য ওঁ (ফিরহাদ) খালি এখানে আসেন। ওঁর সরকারে তো আমাদের ১৫ বছর হয়ে গেল। এখানে একবারও আসেননি। এখানে শুধু ভোট চাইতে আসেন। কোনও খোঁজ নেন না। আমাদের পাড়াতে কোনওকিছু হলেও, ওঁ কোনও কিছুতে থাকেন না।'
আরও পড়ুন:- ৮৮ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া, উপড়ে পড়ল গাছ, বন্ধ শিয়ালদা-বনগাঁ শাখায় ট্রেন চলাচল
ফলে স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে ওয়ার্ডের ব্যক্তির মৃত্যুর পরেও কোনওরকম যোগাযোগ না করায় স্থানীয়দের একাংশ ফিরহাদ হাকিমের ওপর বেশ ক্ষুব্ধ।





















