Panihati News: গাড়ি চালকের কোটি টাকা জেতা লটারি টিকিট আত্মসাতের অভিযোগ পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে
Nirmal Ghosh, Panihati: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল ঘোষের বাড়িতে ওই গাড়ির চালককে মারধর করা হয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। তারপর তাঁর থেকে ১ কোটি টাকার টিকিটটি কেড়ে নেওয়া হয় বলেই অভিযোগ।

পানিহাটি: দুর্নীতির কত যে পন্থা নিয়েছিলেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা, তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ সামনে আসছে। এবার পানিহাটিতে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে উঠল কোটি টাকার লটারির টিকিট আত্মসাতের অভিযোগ।
আরও পড়ুন: জন্মবার্ষিকীর আগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির বেদিতে ভাঙচুর, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে
জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বর মানে ১ কোটি টাকার লটারি যেতেন এক ব্যক্তি। পেশায় তিনি ছিলেন গাড়ির চালক। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে একটি হোটেলে গাড়ি চলতেন তিনি। সেই হোটেলের মালিকের দাম সুশান্ত সরকার। পেশায় গাড়ি চালক ওই ব্যক্তি ১ কোটি টাকা জেতার পর সেই টিকিট নিয়ে আসেন মালিকের কাছে। তখন তাঁকে নিয়ে স্থানীয় বিধায়ক নির্মল ঘোষের বাড়িতে যান সুশান্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্মল ঘোষের বাড়িতে ওই গাড়ির চালককে মারধর করা হয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। তারপর তাঁর থেকে ১ কোটি টাকার টিকিটটি কেড়ে নেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। সেই সময় প্রাণের ভয়ে কিছু করতে পারেননি ওই গাড়ির চালক। কিন্তু পালা বদলের পর এবার পুলিশের অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: তৃণমূল শ্রমিক নেতার কথায় চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তুলেছিলেন, চাকরি না হওয়ায় আত্মঘাতী হলদিয়ার যুবক
ঘটনায় অভিযোগের তীর পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়ন্ত দাসের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর জয়ন্ত দাস। আর এই লটারির টিকিট আত্মসাতের অভিযোগে ইতিমধ্যেই সুশান্ত সরকার নামের ওই হোটেল মালিককে গ্রেফতার করেছে খড়দা থানার পুলিশ।
ওই গাড়ি চালক বলছেন, "আমি ৯/১১/২০২৪ তারিখে একটা ডিয়ার লটারি ফার্স্ট প্রাইজ পাই। আমার মালিক সুশান্ত সরকার তা জানতে পারে। ওয়েসিস ৬৯ -এর মালিক সুশান্ত সরকার। তখন আমি ওঁর কাছে কাজ করতাম। উনি যখন জানতে পারেন, আমাকে নিয়ে নির্মল ঘোষের কাছে যায়। আমাকে বলে, তুই এত টাকা নিয়ে কী করবি? চল দাদার কাছে বল। তারপর আমরা নির্মল ঘোষের কাছে যাই। নির্মল ঘোষ আমাকে মারধর করে, বন্দুক ঠেকিয়ে পকেট থেকে টিকিট বের করে নেয়। ওঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ আমার গলা টিপে ধরে। নির্মল ঘোষ বন্দুক ঠেকিয়ে বলে, তোকে জানে মেরে দেব, তোর লাশ গায়েব করে দেব, লাশ রেল লাইনে ফেলে দেব। ওই লটারির টিকিটটার জন্য।"























