Dilip Ghosh: মাছ ধরতে গেলেন দিলীপ, ছিপে উঠল পুঁটি ; বললেন '২৬-র আগে বড় মাছ ধরার প্র্যাকটিস করছি' !
Hooghly Dilip Ghosh Fishing : হুগলিতে নিজের হাতে ছিপ ফেলে মাছ ধরলেন দিলীপ, ছাব্বিশের ভোটের আগে করলেন জোর কটাক্ষ

সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি: 'রাজনীতি এখন পেশা,নীতি আদর্শ সেকেন্ডারি।'ছাব্বিশের আগে বড় মাছ ধরার প্র্যাকটিসে ছিপ ফেলছেন দিলীপ ঘোষ। চার করা ছিল আগে থেকেই,সেখানেই ছিপ ফেলে বসে ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। মাছ ঠোক্কর না দেওয়া আরও দু -জায়গায় চার ফেলেন দলের কর্মীরা।পাশের একটি পুকুরেও চার ফেলা হয়। প্রায় ঘন্টা দুয়েক ছিপ ফেলে বসে থেকেও উঠছিল না একটিও মাছ। অবশেষে হাত ছিপে উঠল 'পুঁটি।' দলের এক কর্মীর ছিপে 'রূপচাঁদা' মাছ খেলিয়ে তুলে রণে ভঙ্গ দেন দিলীপ ঘোষ।
মাছ ধরতে গেলেন দিলীপ, ছিপে উঠল পুঁটি
পান্ডুয়ার তিন্নায় হুগলি জেলা সভাপতি তুষার মজুমদারের বাড়িতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন সাংসদ। সেখানেই আয়োজন হয়েছিল ছিপ ফেলে মাছ ধরার। নারকোল পচানী,একাঙ্গি,খোলভাজা,ম্যাতা দিয়ে জমিয়ে চার করা হয়েছিল।যাতে মাছ না ফসকায়।পিঁপড়ের ডিম পাউরুটির টোপ ঘি বাটারে ডুবিয়ে হুইল ছিপে মাছ ধরতে বসেছিলেন বিজেপি নেতা। কিন্তু একটা 'পুঁটিতেই' সন্তুষ্ট থাকতে হল তাকে। মাছ ধরা ছেড়ে বললেন,'ছাব্বিশের আগে বড় মাছ ধরার প্র্যাকটিস করছি।'
দলের এক কর্মীর ছিপে 'রূপচাঁদা' মাছ খেলিয়ে তুলে রণে ভঙ্গ দেন দিলীপ
যাওয়ার সময় কর্মীদের বাড়ি থেকে চালতা লাউ নিয়ে যান। দিলীপ ঘোষ বলেন,'বালি খাদের জল গভীর।এখানে বড় মাছ আছে।তা ধরতে আলাদা কায়দা দরকার।আমরা পুঁটি থেকে রুপচাঁদা সবই ধরলাম।ছাব্বিশের আগে বড় মাছ ধরব তার প্র্যাকটিস করছি।' তাপসী মণ্ডলের তৃণমূল যোগ প্রসঙ্গে বলেন,'নির্বাচন এলেই একটু অদল বদল হয়। একটু অদল বদল হয় সব জায়গায়।গতবারও বহু মানুষ আমাদের সঙ্গে এসেছিলেন।তাদেরকে আমরা টিকিটও দিয়েছি।কেউ জিতেছেন কেউ জেতেননি।অনেকে আবার চলে গিয়েছিলেন।তারা ভাবছেন কী জানি বিজেপি জিততে পারবে কিনা এখন অনেকে ভাবছেন। বিজেপির সেফ জায়গায় নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে।পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির একটা অংশ।
'নীতি আদর্শটা সেকেন্ডারি..'
'তৃণমূলে যারা যাচ্ছে তারা কি ভুল করছে নাকি? অন্য পার্টি থেকে পার্টিতে নতুন লোক না এলে দল বাড়বে কি করে।তৃণমূল দলটাই তো এভাবে তৈরি হয়েছে।আমরা যখন জেতার পরিবেশ তৈরি করেছিলাম তখন বহু মানুষ অন্য দল থেকে এসেছিল। তারমধ্যে সবাই হয়তো টেকেননি।তাদের মধ্যে অনেকে ভালো রাজনৈতিক মানুষ নাকি ভিড় বাড়িয়েছিল।অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে সেটা পরে নির্বাচনে আমরা কাজে লাগাবো। এটা শুধু পশ্চিমবঙ্গের না ভারতবর্ষের রাজনৈতিক দল গুলোর দলবদলের রাজনীতি চলে।রাজনীতি এখন পেশা হয়ে গেছে ভবিষ্যৎ ভেবে করছেন।নীতি আদর্শটা সেকেন্ডারি হয়ে গেছে। আমাদেরকেও সেই পরিবেশের মধ্যেই রাজনীতি করতে হচ্ছে।'
আরও পড়ুন, নতুন করে ধেয়ে আসছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ! কোথায় রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত ? গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হাওয়া অফিসের..
'পদ্ম ফুটতেই থাকবে'
দিলীপের সংযোজন, 'ভারতের জনতা পার্টি নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে আমরা লড়াই করছি।কেউ আসবে কেউ যাবে।বহু লোক দলবদল করেছে আবারো করবে একটা প্রক্রিয়া।সারা ভারতবর্ষে বিজেপি আছে অনেক রাজ্য আছে।অনেক মানুষ আসছেন অনেকে ছেড়ে চলেও যাচ্ছেন।অনেক দল আমাদের সঙ্গে জোটে ছিলেন আছেন।আবার অনেক বাধ্যকতাকার জন্য অনেকে ছেড়েও দিয়েছেন।এটা নিয়ে আমরা অতটা বিব্রত নই।যখন এসব লোক ছিল না তখন আমরা ১৯ টা লোকসভা আসন জিতেছি।৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছি।এইসব দলের কর্মী সমর্থকরা সারা রাজ্যে ছড়িয়ে আছে।তারপরও আমরা ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছি।রাজ্যে আমরাই বিরোধী আছি।২৬ এর আগে পরে পদ্ম ফুটবে। পদ্ম ফুটতেই থাকবে । অপেক্ষা করুন।'






















