Howrah Hospital Chaos: চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, নার্সিংহোমে ভাঙচুর মৃতের পরিজনদের
Howrah News: বাঁকড়া মুন্সিডাঙা শেখ পাড়ার বাসিন্দা টিনা বেগম (৩২) কে পেটের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করেন বাড়ির লোকেরা

সুনীত হালদার, হাওড়া: চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ। আর তাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল মৃতের আত্মীয়-পরিজনদের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, পেটে যন্ত্রণা নিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি হন বাঁকড়ার মুন্সিডাঙার বাসিন্দা। চিকিৎসক ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর রাত ১২টা নাগাদ মৃত্যু হয় ওই বধূর।
চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাওড়ার বাঁকড়ায় নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালাল মৃতের আত্মীয়-পরিজনেরা। ঘটনার সূত্রপাত গতকাল রাত ১০টা নাগাদ। বাঁকড়া মুন্সিডাঙা শেখ পাড়ার বাসিন্দা টিনা বেগম (৩২) কে পেটের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করেন বাড়ির লোকেরা। তাঁর শ্বশুরবাড়ি হুগলির ডানকুনিতে। টিনার পরিবারের অভিযোগ, নার্সিংহোমে চিকিৎসক যন্ত্রণা বন্ধের একটি ইঞ্জেকশন দেয়। তারপর রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। রাত পৌনে বারোটা নাগাদ মারা যান ওই মহিলা। মৃত্যুর খবর চাউর হতে এলাকার বাসিন্দারা ভিড় জমান ওই নার্সিংহোমে। তাঁরা ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, টেবিল, চেয়ার, আসবাবপত্র, সিসিটিভির এবং চিকিৎসার যন্ত্রপাতি কোনও কিছুই বাদ যায়নি বাসিন্দাদের ক্ষোভের আঁচ থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং রাফ। পুলিশ কর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও ওই নার্সিংহোমে চিকিৎসার গাফিলতিতে অনেকের মৃত্যু হয়। ভাঙচুরের সময় চিকিৎসক এবং অন্যান্য কর্মীরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।
অন্যদিকে চলতি মাসে কসবায় চেম্বারে ঢুকে চিকিৎসককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বেশ কিছুজনের বিরুদ্ধে। চিকু পাণ্ডে নামে এক যুবক সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নিগৃহীত চিকিৎসক শঙ্কর ভগবান তিওয়ারি। তিনি দাবি করেন, ১ জুন সন্ধেয়, নিজের চেম্বারে রোগী দেখছিলেন তিনি। অভিযোগ, সন্ধে ৭টা নাগাদ, মত্ত অবস্থায় চেম্বারে ঢুকে পড়েন অভিযুক্ত চিকু পাণ্ডে। বচসা ও অকথ্য গালিগালাজের পর থাপ্পড় মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় চিকিৎসককে। চিকিৎসকের অভিযোগ, তখনকার মতো বচসা মিটলেও, কিছুক্ষণ পর ফের দলবল নিয়ে চেম্বারে হানা দেন চিকু পাণ্ডে। ফের শুরু হয় তাণ্ডব-মারধর। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন ওই চিকিৎসকের ছেলেও। চিকিৎসকের দাবি, চেম্বারের জমি থেকেই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চেম্বারের জমি দখলের চেষ্টা করছেন অভিযুক্ত চিকু পাণ্ডে। সেই রাগ থেকেই আচমকা হামলা। নিগৃহীত চিকিৎসক, জানান, "কাঁধের জয়েন্টে ডিস-লোকেশন হয়ে গেছে। আমার পুরো পরিবার আতঙ্কে রয়েছে। আমার ছেলে ছিল। সে বাধা দেয়। এরপর তিনি বাইরে থেকে তিন-চারজনকে নিয়ে এসে আমার ছেলেকে মারতে শুরু করেন। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।''






















