Howrah News: শীতে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে উড়ান, প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পাখি এবার ভিড় জমিয়েছে সাঁতরাগাছিতে !
Santaganchi Jheel Birds Crowd:শীত বাড়তেই সাঁতরাগাছি ঝিলে পরিযায়ী পাখিদের রেকর্ড ভিড়, খুশি পক্ষী প্রেমিকরা।

সুনীত হালদার, হাওড়া: শীত বাড়তেই সাঁতরাগাছি ঝিলে পরিযায়ী পাখিদের রেকর্ড ভিড়, খুশি পক্ষী প্রেমিকরা। এবারে শীত দেরিতে আসায় সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কম ছিল। তবে ডিসেম্বরে শেষদিকে ভালোমতো শীত পড়ায় ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি ভিড় জমিয়েছে। গোটা ঝিল এখন পরিযায়ী পাখির কলতানে ভরে উঠেছে। এতে খুশি পক্ষী প্রেমিকরা। তারা রকমারি পাখি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন পাখিরালয়ে।
আরও পড়ুন, রাজগঞ্জের BDO-র পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রশান্ত বর্মণকে ! নতুন করে কাকে আনা হল ওই পদে ?
সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ে প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে পাখি গণনার কাজ করে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রকৃতি সংসদ। এবারেও পাখি গণনার কাজ শেষ হয়েছে। তাতে দেখা গেছে গত বছরের তুলনায় এবারে পাখির সংখ্যা প্রায় এক হাজার বেশি হয়েছে। গতবছর পাখির সংখ্যা ছিল ৪১৯৭, এবারে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬০৮। শুধু তাই নয় লেসার হুইসেল ছাড়াও গাডওয়াল, নাকটা, পারপেল হেরণ এবং অন্যান্য প্রজাতির পাখিরা ভিড় জমিয়েছে। যার মধ্যে আশার আলো দেখছে পক্ষী প্রেমিকরা।
দক্ষিণ পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছি স্টেশন লাগোয়া সাঁতরাগাছি ঝিল। যা সাঁতরাগাছি পাখিরালয় নামে পরিচিত। প্রতিবছর শীতের শুরু থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখি মানস সরোবর, হিমালয়ের পাদদেশ এবং সাইবেরিয়া থেকে এখানে ভিড় জমায়। এবারে বেশ কিছুটা দেরীতে ঝিল সংস্কারের কাজ শুরু করে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নেচার মেট। তাই আশঙ্কা ছিল পাখি বসার কম জায়গা থাকায় পাখিও কম আসবে। অন্য জায়গায় উড়ে যেতে পারে। হয়েছিল তাই। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পাখিদের বসার কচুরিপানার দ্বীপ তৈরি করে দেওয়ায় শীত বাড়তেই ঝাকে ঝাঁকে পাখি চলে আসে। এখন পাখি গণনার কাজ শেষ করেছে প্রকৃতি সংসদ।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয় এবার পাখির সংখ্যা ৫৬০৮। গতবারের তুলনায় প্রায় ১০০০ বেশি। ঝিল সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার পক্ষ থেকে অর্জন বসু রায় বলেন দেরীতে হলেও অতিরিক্ত লোক লাগিয়ে পাখিদের অনুকূল আস্তানা তৈরি করা হয়েছে। যাতে পাখিরা বসতে পারে। তিন থেকে দশ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে চাষের ক্ষেত থেকে তারা খাবার সংগ্রহ করে। আশেপাশে বহুতল বাড়ি, হোটেল এবং কারখানা বেড়েছে। ফলে ধান কিংবা ফসলের জমি কমেছে। এতে পাখিদের খাবারের সমস্যা হচ্ছে। এনিয়ে ভাবনা চিন্তা করা উচিত।






















