Humayun Kabir : 'বিধানসভায় ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে অধিকার বুঝে নেব', হুঙ্কার হুমায়ুনের
Murshidabad News: এদিন রেজিনগরে, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক।

রেজিনগর : আগেই ঘোষণা করেছিলেন। সেইমতো মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত 'বাবরি মসজিদের' শিলান্যাস করলেন হুমায়ুন কবীর। এদিন রেজিনগরে, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক। শুধু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই নয়, এই উপলক্ষে আয়োজিত সভা থেকে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে। হুমায়ুন বলেন, "২০১১-তে ১৩ মে যেদিন রেজাল্ট হয়েছিল, সেদিন ৬৭ জন মুসলমান বিধায়ক ছিলেন। পুরো ৫ বছর ক্ষমতাপন্ন হওয়ার পর ২০১৬-তে সেটা নেমে এল ৫৭-তে। ২০২১-এ সেটা চক্রান্ত করে নামিয়ে আনলেন মাত্র ৪৪ জনে। আমি মুসলমান সমাজের কাছে একটাই কথা বলব, আপনারা যাকে খুশি যত মুসলমানদের ভোট দিয়ে বিধানসভায় পাঠান। ২৯৪-এর মধ্যে যে বাকি ২০৪টা থাকবে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে লড়াই হোক। তারা কে সরকারে আসবেন হিন্দু সভা সিদ্ধান্ত নিক। তারা সরকারে থাকুক। আমরা বিরোধী আসনে থাকব। বিধানসভায় ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে অধিকার বুঝে নেব, উন্নয়ন বুঝে নেব। এটাই আমার টার্গেট।"
রেজিনগরের সভা থেকেই সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন ঘোষণা করেন, ৩ কাঠা জমির উপর তৈরি হবে মূল বাবরি মসজিদ। ২৫ বিঘা জমির উপর মসজিদ চত্বরেই তৈরি হবে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়। এদিকে যে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস নিয়ে এত বিতর্ক, সেই মসজিদ নির্মাণ করতে সরকারি টাকা লাগবে না আগেই মন্তব্য করেছিলেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আবারও মঞ্চ থেকে একই কথা বলেন তিনি। হুমায়ুনের দাবি, বাবরি মসজিদ নির্মাণে টাকার অভাব হবে না। রাজ্যের প্রায় সব জেলা থেকে বহু মানুষ আর্থিক সাহায্য করবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সংস্থা নাকি ৮০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাঁকে। তাই মসজিদ নির্মাণে টাকার কোনও অভাব হবে না বলে মনে করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, "টাকার কোনও অভাব হবে না। রাজ্য সরকারের কোনও দয়ার দরকার নেই। রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না। তাতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে। শুধুমাত্র ৩ কাঠা জায়গার উপরে...আমার টাস্ট্রির জায়গার উপরে...এত বিরোধিতা সত্ত্বেও, আমরা আজ ভিত্তি স্থাপন করছি। ২৫ বিঘা জায়গার মধ্যে। এখানে হাসপাতাল হবে, বিশ্ববিদ্যালয় হবে, পার্ক হবে, হেলিপ্যাড হবে এবং মুসাফিরখানা হবে। যত কোটি টাকা খরচ হোক। মুর্শিদাবাদ-সহ প্রচুর মানুষ আর্থিক সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি আর একটি খুশির খবর,নাম করতে তিনি নিষেধ করেছেন, এই ভারতেরই এক মসুলমান আগামী এক মাসের মধ্যে ৮০ কোটি টাকা আমার এই সংস্থাকে দেবে।"






















