Yuva Sathi: এপ্রিলে যুব সাথীতে নতুন করে টাকা দেওয়া হচ্ছে? কারা কারা আগে পেতে পারে?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) এপ্রিল ২০২৬-এর ভাতা নিয়ে বড় আপডেট। অনলাইন ও অফলাইন আবেদনকারীদের মধ্যে কারা ১৫০০ টাকা পাবেন এবং প্রকল্পের স্ট্যাটাস চেক করবেন কীভাবে?

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চালু হওয়া যুব সাথী প্রকল্প (Yuva Sathi) নিয়ে নতুন করে বড় আপডেট সামনে এসেছে। অনেক আবেদনকারীর মোবাইলে SMS এসেছে যে তাদের অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ক্রেডিট হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করলে আগে টাকা পাওয়া যাচ্ছে কি? অফলাইনে যারা আবেদন করেছেন তাদের কি দেরি হচ্ছে? গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দেখে নিন।
এপ্রিল মাসের যুবসাথী ভাতা নিয়ে নয়া আপডেট
বর্তমানে বিভিন্ন জেলা থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ব্যাচ অনুযায়ী (Batch wise) টাকা ক্রেডিট করা হচ্ছে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন, তাদের তথ্য আগে থেকেই সিস্টেমে আপলোড ছিল। ফলে তাদের যাচাই-প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে এবং অনেকের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা ঢুকতে শুরু করেছে।
অন্যদিকে যারা অফলাইনে আবেদন জমা দিয়েছিলেন, তাদের আবেদনপত্রের তথ্য আগে ডেটা এন্ট্রি করতে হচ্ছে এবং এরপর ম্যানুয়ালি যাচাই করা হচ্ছে। এই কারণেই অনেক ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগছে।
অনলাইন বনাম অফলাইন: কারা অগ্রাধিকার পাবেন?
এই প্রকল্পে আবেদনকারীদের তথ্য জেলা ভিত্তিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তথ্য যাচাই করার পরই আবেদন Approve করা হচ্ছে এবং তারপরই টাকা পাঠানো হচ্ছে, যেমন-
আবেদনকারী বর্তমানে অন্য কোথাও চাকরি করছেন কিনা ভোটার কার্ড ও পরিচয়পত্রের তথ্য শিক্ষাগত যোগ্যতার ডকুমেন্ট। এই প্রকল্পে টাকা পাঠানো হচ্ছে Direct Benefit Transfer (DBT) পদ্ধতিতে। অর্থাৎ আবেদনকারীর আধার নম্বরের সঙ্গে লিংক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ক্রেডিট হচ্ছে। তাই আবেদনকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে Aadhaar link থাকতে হবে, KYC সম্পূর্ণ থাকতে হবে, DBT service সক্রিয় থাকতে হবে।
আরও পড়ুন, এপ্রিলে কি বেকার ভাতার দু'মাসের টাকা ঢুকতে পারে? যুব সাথীর আবেদনে নয়া আপডেট?
ঠিক যেমন অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে টাকা ঢোকে, একই পদ্ধতিতে এই প্রকল্পেও টাকা পাঠানো হচ্ছে। এই বিষয়ে জানা না থাকলে একবার ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাক্টিভ করিয়ে নেবেন।
আবেদনকারীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জেগেছে যে, কেন এই আর্থিক সহায়তা পেতে দেরি হচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মূলত তিনটি কারণে এই বিলম্ব ঘটেছে:
তথ্যের গরমিল: সরকারি নথির সাথে আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যের অসামঞ্জস্য থাকার কারণে বহু ফাইল আটকে যায়, যাকে প্রশাসনিক ভাষায় ‘মিসম্যাচ’ বলা হচ্ছে।
ট্রেজারির সমস্যা: রাজ্য সরকারের ট্রেজারিতে কিছু অভ্যন্তরীণ জটিলতার জেরে সাময়িকভাবে ফান্ড রিলিজ করার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে গিয়েছিল।
যাচাইকরণের কাজ: নতুন এবং পুরনো প্রচুর আবেদনের ভেরিফিকেশন বা যাচাইকরণ পর্ব এখনও চলছে, যার ফলে অনেকটাই সময় ব্যয় হচ্ছে।
























