Jahangir Khan: জাহাঙ্গিরের উদ্দেশে উঠল চোর স্লোগান, ছোড়া হল ডিম, পুলিশ হেফাজতে তৃণমূলের 'পুষ্পা'
Jahangir Khan Egg Attack : অভিষেক-ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গিরের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজত

কলকাতা: পুলিশ হেফাজতে তৃণমূলের 'পুষ্পা'। অভিষেক-ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গিরের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজত। জাহাঙ্গিরের উদ্দেশে উঠল চোর চোর স্লোগান, ছোড়া হল ডিম। মূলত গতকাল পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে STF-র হাতে গ্রেফতার হয় জাহাঙ্গির খান।
আরও পড়ুন, আজ বিকেল ৫টায় ভবানীভবনে অভিষেককে হাজিরার নোটিস, ডেডলাইন শেষের আগে কী জানালেন তিনি ?
ফলতা উপনির্বাচনের পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন।ছকে ফেলেছিলেন এসকেপ রুটও। কিন্তু নেপালে পালানোর আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন জাহাঙ্গির খান। শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের STF. মূলত জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করে, পুলিশ জানতে পেরেছিল, তিনি নেপালে যাতায়াত করতেন। সেই সূত্র ধরেই জাহাঙ্গিরের এক নিকটস্ত এক জন , যে নেপালে থাকত, তাঁকে ট্র্যাক করতে শুরু করে পুলিশ। তাঁকে ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে, ঘরভাড়া নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতে শুরু করে দিয়েছিল জাহাঙ্গির। পুলিশ ওই সূত্র ধরে ট্র্যাক করে জানতে পারে যে, সে ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছাকাছি আছেন। সেই মতই টিম গঠন করা হয়। এরপর সাদা পোশাকে ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ এবং এসটিএফ এর টিম ওই জায়গায় রওনা দেয়। এদিকে পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে পালাতে যায় জাহাঙ্গির। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। তাঁকে গ্রেফতারের জন্য, দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাকে পাকড়াও করে।
মঙ্গলবার তাঁকে পেশ করা হয় ডায়মন্ড হারবার আদালতে। তবে এদিন ধৃত তৃণমূল নেতার হয়ে সওয়াল করলেন না কোনও আইনজীবী। আইনজীবী সজল মণ্ডল বলেন, ওনার পক্ষে কোনও আইনজীবী দাঁড়াবেন না সিদ্ধান্ত হয়ে। নটোরিয়াস ক্রিমিনাল। বহু মানুষের ক্ষতি করেছে। ফলতার বাসিন্দা বলেন, ওর অপজিটে যে ব্যক্তিটা দাঁড়িয়েছে তার নাম দেবাংশু পাণ্ডা। ওর মতো কত পুষ্পাকে যে ঝুঁকিয়েছে ও তো কোথাকার কে। জনতার সামনে ছেড়ে দিন। ওকে খেয়ে ফেলে দেবে। ভারত-নেপাল সীমান্তে বাড়িভাড়া নিয়ে থাকছিলেন জাহাঙ্গির খান। STF সূত্রে খবর, জাহাঙ্গির এদেশের পাট চুকিয়ে নেপালে পাকাপাকি থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন।এমনকী নেপালের স্কুলে বাচ্চাকে ভর্তির পরিকল্পনাও নিয়েছিলেন ফলতার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী।
ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে, ভোট সন্ত্রাস, ভোট লুঠ, ভয় দেখানো, হুমকি, মারধর, তোলাবাজি, অনিচ্ছাকৃত খুন-সহ গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ রয়েছে। ফলতার বাসিন্দা অনীল হালদার বলেন, জাহাঙ্গির খানের জন্মদিন হত। একটা সুন্দর কার্ড দিত। তারপর এসে বলত কিছু সাহায্য করতে হবে। কত টাকা? ৫০ হাজার টাকা। এদিন জাহাঙ্গির খানকে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।





















