বিন্নাগুড়িতে অতি বৃষ্টির জেরে সেতু ভেঙে বিপত্তি বাসিন্দাদের, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা
গতকাল এলাকা পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা। সেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি: বানারহাটের বিন্নাগুড়িতে সেতু ভাঙা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভুটান পাহাড় ও ডুয়ার্সে অতি বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার ভেঙে যায় বিন্নাগুড়ি থেকে গয়েরকাটা যাওয়ার লালপুল সেতু। যাতায়াতে সমস্যায় পড়েছেন আশেপাশের একাধিক চা বাগানের বাসিন্দারা। পূর্ত দফতরের উদাসীনতায় সেতু মেরামতির কাজ শুরু হয়নি বলে তাঁদের দাবি। গতকাল এলাকা পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা। সেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন তিনি। তৃণমূলের পাল্টা কটাক্ষ, শুধুমাত্র পরিদর্শনে যাওয়াই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাজ। জেলাশাসকের আশ্বাস, অস্থায়ী রাস্তা বানিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। দ্রুত স্থায়ী সেতু তৈরি করা হবে।
অন্যদিকে কলকাতায় আজ থেকেই পোস্তা উড়ালপুল ভাঙার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু করবে KMDA। ভেঙে ফেলার কাজ চলাকালীন বন্ধ থাকবে বিবেকানন্দ রোডের একাংশ।ভাঙার কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে গণেশ টকিজ থেকে গিরিশ পার্কগামী রাস্তাও। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে নোটিস জারি করা হয়েছে। পোস্তা উড়ালপুল ভেঙে ফেলার কাজ চলাকালীন রুট বদলে অন্য পথে চালানো হবে গাড়ি। এমজি রোডে বন্ধ থাকবে ট্রাম চলাচল। এছাড়া, বি কে পাল অ্যাভিনিউ থেকে রবীন্দ্র সরণি পর্যন্ত নিমতলা ঘাট স্ট্রিটে একমুখী যান চলাচল করবে। KMDA সূত্রে খবর, প্রায় দেড়মাস ধরে চলবে পোস্তা উড়ালপুল ভেঙে ফেলার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ।
উল্লেখ্য, এর আগে মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমারকাণ্ডের বাঁধার পর গেরুয়া শিবিরকে তুমুল আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, রেল অনুমতি দেয়নি, তাই ৯ মাস ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ৯ মাস আগেই মাঝেরহাট ব্রিজ চালু করা যেতে পারত। রেল অনুমতি দেয়নি, তাই ৯ মাস ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন করেন, অনুমতি চেয়ে ৯ মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছিল, তখন বিজেপি কী করছিল? তাঁর মতে, ভোটের সময় বড়বড় ভাষণ দিতে চলে আসে। নীচ দিয়ে রেল যাবে, অনুমতি না দিয়ে মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতায় বিরোধী শ্রমিক সংগঠনের ডাকা দেশজোড়া ধর্মঘটের দিনেই মাঝেরহাট ব্রিজ অবিলম্বে চালুর দাবিতে বিজেপির মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল।






















