Jalpaiguri Hospital Chaos: ভুল ইঞ্জেকশনের জেরেই গেল প্রাণ! রোগী মৃত্যুতে ধুন্ধুমার জলপাইগুড়িতে
Jalpaiguri News: অভিযোগ, রোগীকে মেডিসিন ওয়ার্ডে না রেখে সরাসরি সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

রাজা চট্টোপাধ্য়ায়, জলপাইগুড়ি: রোগী মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। পরিবারের অভিযোগ, পায়ে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তারপরই মৃত্যু হয়, জলপাইগুড়ি শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় সাটারিং মিস্ত্রি নান্টু দে সরকারের। ক্ষোভে ফেটে পড়েন আত্মীয়রা। ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও।
গতকাল রাতে পায়ে ব্যথা অনুভব করায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় সাটারিং মিস্ত্রি নান্টু দে সরকার। পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এর পরই নিথর হয়ে যায় শরীর। অভিযোগ, রোগীকে মেডিসিন ওয়ার্ডে না রেখে সরাসরি সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা হয়। রোগীর শরীরে ভুল ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। রোগী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। গতকাল রাতের পর আজও সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতালে। ভুল ইঞ্জেকশন প্রয়োগেই মৃত্যু হয়েছে রোগীর অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার তদন্তের দাবিতে সরব হন রোগীর আত্মীয়রা। পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে রাতে। ঘটনার তদন্তের দাবিতে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবারের। অভিযোগ জানানো হয়েছে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছেও। মৃতদেহের ময়নাতদন্তের পাশাপাশি ঘটনার আলাদা করে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।
চলতি মাসেই দুর্ঘটনায় জখম তরুণের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে RG কর হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়। গত ৭ জুলাই রাতে বিধাননগর ও দমদম স্টেশনের মাঝে দক্ষিণদাঁড়ি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর জখম হন ২১ বছরের গোপাল বণিক।RG কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষী জানান আগে টিকিট করাতে হবে। মাথা ও মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হলেও বিনা চিকিৎসায় ওই তরুণকে দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যেই তরুণের মৃত্যু হয়। আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকজন। হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। হাসপাতালে মোতায়েন পুলিশ ও CISF পরিস্থিতি সামাল দেয়। পাল্টা হাসপাতালের তরফে দাবি করা হয়েছিল, মৃত অবস্থাতেই নিয়ে আসা হয়েছিল যুবককে। বিনা চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার।






















