Kharagpur IIT Death Mystery: খড়গপুর IIT-তে তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু ! হস্টেলের ৮ তলা থেকে...
Kharagpur IIT Student Death Mystery: খড়্গপুরে IIT-র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু !

বিশ্বজিৎ দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর: গত বছরের পরে ফের পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনা ঘটল খড়্গপুর আইআইটিতে। এবার হোস্টেলের অষ্টমতল থেকে নিচে পড়ে মৃত্যু হল এক ছাত্রের।
আরও পড়ুন, দেবাশিস কুমারের বাড়ি-কার্যালয়ে IT হানা, কমিশনে চিঠি তৃণমূলের
অটলবিহারী বাজপেয়ী হলের এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য, মৃত্যুর পিছনে কী কারণ, তদন্তে খড়্গপুর আইআইটি ফাঁড়ির পুলিশ
শনিবার প্রতিষ্ঠানের অটলবিহারী বাজপেয়ী হলের এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ছাত্রের নাম জয়বীর সিন দোডিয়া (২১)। গুজরাতের আহমেদাবাদের বাসিন্দা জয়বীর খড়্গপুর আইআইটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছিলেন। থাকতেন নেহেরু হলে। এ দিন অটলবিহারী হলে যাওয়ার পরেই এই ঘটনা। প্রাথমিকভাবে ওই হলের অষ্টমতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে জয়বীর আত্মঘাতী হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মৃত্যুর পিছনে কী কারণ খতিয়ে দেখছে খড়্গপুর আইআইটি ফাঁড়ির পুলিশ। খড়গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ফোন করলে ওনারা ফোন ধরেননি।
কিছু বছর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল খড়গপুর আইআইটি-তে,হোস্টেলের বন্ধ ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিল গন্ধ...
২০২২ সালে খড়্গপুর IIT-র এই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াকে পচাগলা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, আবার সেই একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই বিভাগে মর্মান্তিক ঘটনা ! খড়গপুর হোস্টেলের একটি ঘর থেকে ছাত্রের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। হোস্টেলের বন্ধ ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিল গন্ধ। সেই গন্ধের উৎস জানতেই শিহরিত হয়েছিল হোস্টেলের সবাই। কারণ ততক্ষণে আর কারও বুঝতে বাকি নেই, কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গিয়েছে, হোস্টেলে। অদ্ভুত বিষয়, তিনিও খড়্গপুর আইআইটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। তার নাম ছিল, ফয়জান আহমেদ। অসমের বাসিন্দা।
"দেহ দুই তিন দিন রুমের ভিতরে থাকার কারণ পচে যায়..."
তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছিল, ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার দু-তিন দিন আগেই ঘটে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছিল, দেহ দুই তিন দিন রুমের ভিতরে থাকার কারণ পচে যায়। পুলিশ সেসময় প্রাথমিক তদন্তের পর জানিয়েছিল, মানসিক অবসাদের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনার পর দেহ শনাক্ত করতে না পারায় প্রথম পরিবার দেহ নিতে অস্বীকার করেছিলেন। বলেছিলেন, এটা তার ছেলের দেহ হতেই পারে না। ..যদি সত্যিই তার ছেলে হয়, সে কখনওই আত্মহত্যা করতে পারে না।' এমনকি তিনি তাঁর ছেলেকে খু করা হয়েছে বলেই দাবি তুলেছিলেন। এদিকে দেহ শনাক্ত করতে না পারায়, জেলাশাসকের কাছে ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানিয়েছিল ওই পরিবার।





















