Kolkata Metro: অফিস টাইমে কলকাতা মেট্রোয় বিভ্রাট, বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীরা, বাড়ছে ভোগান্তি
Kolkata Metro Jai Hind Station: কলকাতা মেট্রোর জয় হিন্দ স্টেশন থেকে সকল ১০ টা ১৯ মিনিটের পর থেকে কোনও মেট্রো ছাড়ছে না। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা হয়েছে।

কলকাতা: কলকাতা মেট্রোয় (Metro Railway, Kolkata) ফের বিভ্রাট। অফিস টাইমে ফের থমকলো মেট্রোর (Kolkata Metro) চাকা। নোয়াপাড়া - বিমান বন্দর করিডোরের প্রান্তিক স্টেশন বিমান বন্দর যা জয় হিন্দ স্টেশন নামেই পরিচিত, সেখান থেকে সকল ১০ টা বেজে ১৯ মিনিটের পর থেকে কোনও মেট্রো ছাড়ছে না। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা হয়েছে।
সিগন্যালের কোনও সমস্যার কারণেই মেট্রোর এই সমস্যা বলেই জানা গিয়েছে। মেট্রো অতি তৎপরতার সঙ্গে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। শুরুর দিকে বিমান বন্দর স্টেশন থেকে তেমন যাত্রী না উঠলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ছবি বদলেছে। কারণ বিমান বন্দর মেট্রো থেকে শুধু লাইন বদল করেই কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম; সব দিকেই খুব সহজে পৌঁছে যাওয়া যায়। আর সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিমান বন্দর মেট্রো স্টেশনে যাত্রীর সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছিল। ফলে মেট্রোর এই বিভ্রাটের কারণে অনেক যাত্রীই প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছেন। এক ঘণ্টা পেরিয়ে, এখনও বিমান বন্দর মেট্রো থেকে পরিষেবা চালু হয়নি। এমনকি পরিষেবা কতক্ষণে চালু হবে, সেটাও মেট্রোর তরফ থেকে নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, কলকাতা মেট্রোর নতুন স্টেশন জয় হিন্দ স্টেশন। নোয়াপাড়া - বিমান বন্দর করিডোরের আপাতত এটাই প্রান্তিক স্টেশন। এই স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে নোয়াপাড়া, দমদম, বেলগাছিয়া সহ উত্তর কলকাতার একাধিক জায়গায় যাওয়া যায়। তেমনই এই স্টেশন থেকে ট্রেন বদলে এসপ্ল্যানেড হয়ে ইস্ট - ওয়েস্ট করিডোর দিতে পূর্বের সল্টলেক সেক্টর ফাইভ বা পূর্বের হাওড়া স্টেশন বা হাওড়া ময়দানেও চলে যাওয়া যায়। আবার উত্তর - দক্ষিণ করিডোর দিয়ে পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে দক্ষিণের টালিগঞ্জ বা কুঁদঘাট স্টেশনেও।
কলকাতা মেট্রোর ইঞ্জিনিয়াররা নিরলস কাজ করেন। মেট্রোর এই সমস্যা দুপুর ১ টা ৪২ মিনিটের মধ্যে মিটে যায়। এই সময়ের মধ্যে যশোর রোড থেকে জয় হিন্দ বা বিমান বন্দর স্টেশনের মধ্যে খুবই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এই ট্রেনগুলো চালানোহোপয়। এ ছাড়াও ট্রেনগুলোর মধ্যে চলোচলের সময়ের পার্থক্য কিছুটা বেড়ে যায়। যদিও কলকাতা মেট্রোয় পরিষেবা নিরবিচ্ছিন্ন ছিল বলেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে এই অসুবিধার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশও করেছে কলকাতা মেট্রো।























